ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে টঙ্গীর রাজপথে বিএনপির বিক্ষোভ মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপই হবে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ভিত্তি- সোহেল চৌধুরী ময়লা দেখলেই থেমে যান, হাতে তুলে নেন পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব টঙ্গীর রাজপথে সুমন-টিপুর নেতৃত্বে যুবদলের বিক্ষোভ ইয়েমেনি বাহিনীর ওপর ড্রোন হামলা চালালো হুতিরা গরু চুরির অভিযোগ থেকে পাল্টা মামলা সারের জন্য ফুঁসে উঠছে কৃষক সরকারি হাসপাতালে বিকল অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অধিকাংশ যন্ত্রপাতি কালিয়াকৈরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম, সম্মতি ভারতের

টিআইবির দাবি ভুল—প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীর সংখ্যা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২২৭ বার পড়া হয়েছে




জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বিষয়টি স্পষ্ট করলেন প্রেস সচিব।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এই প্রতিনিধিদলের সংখ্যা নিয়ে যে বিবৃতি দিয়েছে, তাকে ভুল বলে দাবির করছেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুক্রবার এক পোস্টে তিনি জানান, “প্রকৃত সংখ্যা হলো ৬২ জন, যা গত বছর একই অধিবেশনে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলের (৫৭ জন) তুলনায় সামান্য বেশি।”
পোস্টে শফিকুল আলম জানান, নাগরিক সমাজ সংস্থা টিআইবি স্বচ্ছতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। তাই এটি খুবই হতাশাজনক যে যাচাই করা তথ্যের বদলে যাচাই করা নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এমন পোস্টের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রকাশ্য বিবৃতি দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল শুধুমাত্র হাসিনা আমলের তুলনায় শুধু ছোটই নয়, বরং অনেক বেশি মনোযোগী, পরিশ্রমী ও ফলাফলভিত্তিকও।”
‘প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমাবেশে বাংলাদেশ এবং এর জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করা, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগুলো গঠিত হয়’-যোগ করেন প্রেস সচিব।
গত পাঁচ দিনে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অন্তত এক ডজন উঁচু স্তরের বৈঠক করেছেন, যার মধ্যে ছয়জনের বেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও রয়েছে।
পে, টিআইবি ভুলভাবে দাবি করেছে যে প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা ১০০ জনেরও বেশি। প্রকৃত সংখ্যা ৬২ জন যা গত বছরের ৫৭ জনের তুলনায় সামান্য বেশি। কারণ গত বছরের সংখ্যায় প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণকারী ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
তিনি বলেন, এই বছরের প্রতিনিধিদলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছ থেকে সম্ভাব্য হুমকির মধ্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের উপস্থিতি অপরিহার্য। এর পাশাপাশি প্রতিনিধিদলকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে অনেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ১৬ ঘণ্টার শিফটে কাজ করছেন।
‘সরকার স্বীকার করে যে প্রতিনিধিদলের আকার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এই বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের জন্য ব্যতিক্রমী তাৎপর্যপূর্ণ। এমন এক সময়ে যখন বিভিন্ন পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টায় লিপ্ত। এরমধ্যে জুলাইয়ের বিদ্রোহকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার একটি সমন্বিত প্রচারণাও রয়েছে। তা ছাড়া শক্তিশালী এবং সক্রিয় আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা কেবল কৌশলগত নয়, বরং প্রয়োজনীয়’-উল্লেখ করেন প্রেস সচিব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টিআইবির দাবি ভুল—প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীর সংখ্যা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ১০:১৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বিষয়টি স্পষ্ট করলেন প্রেস সচিব।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এই প্রতিনিধিদলের সংখ্যা নিয়ে যে বিবৃতি দিয়েছে, তাকে ভুল বলে দাবির করছেন প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুক্রবার এক পোস্টে তিনি জানান, “প্রকৃত সংখ্যা হলো ৬২ জন, যা গত বছর একই অধিবেশনে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদলের (৫৭ জন) তুলনায় সামান্য বেশি।”
পোস্টে শফিকুল আলম জানান, নাগরিক সমাজ সংস্থা টিআইবি স্বচ্ছতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। তাই এটি খুবই হতাশাজনক যে যাচাই করা তথ্যের বদলে যাচাই করা নয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এমন পোস্টের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রকাশ্য বিবৃতি দিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল শুধুমাত্র হাসিনা আমলের তুলনায় শুধু ছোটই নয়, বরং অনেক বেশি মনোযোগী, পরিশ্রমী ও ফলাফলভিত্তিকও।”
‘প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সমাবেশে বাংলাদেশ এবং এর জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করা, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগুলো গঠিত হয়’-যোগ করেন প্রেস সচিব।
গত পাঁচ দিনে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অন্তত এক ডজন উঁচু স্তরের বৈঠক করেছেন, যার মধ্যে ছয়জনের বেশি রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও রয়েছে।
পে, টিআইবি ভুলভাবে দাবি করেছে যে প্রতিনিধিদলের সদস্য সংখ্যা ১০০ জনেরও বেশি। প্রকৃত সংখ্যা ৬২ জন যা গত বছরের ৫৭ জনের তুলনায় সামান্য বেশি। কারণ গত বছরের সংখ্যায় প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ভ্রমণকারী ছয়জন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
তিনি বলেন, এই বছরের প্রতিনিধিদলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কাছ থেকে সম্ভাব্য হুমকির মধ্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের উপস্থিতি অপরিহার্য। এর পাশাপাশি প্রতিনিধিদলকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে অনেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ১৬ ঘণ্টার শিফটে কাজ করছেন।
‘সরকার স্বীকার করে যে প্রতিনিধিদলের আকার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এই বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের জন্য ব্যতিক্রমী তাৎপর্যপূর্ণ। এমন এক সময়ে যখন বিভিন্ন পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টায় লিপ্ত। এরমধ্যে জুলাইয়ের বিদ্রোহকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার একটি সমন্বিত প্রচারণাও রয়েছে। তা ছাড়া শক্তিশালী এবং সক্রিয় আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা কেবল কৌশলগত নয়, বরং প্রয়োজনীয়’-উল্লেখ করেন প্রেস সচিব।