গণসংযোগ, মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধে ৪৩নং ওয়ার্ডের মানুষের পাশে এক নিরলস পথচলা
মানুষের আস্থার প্রতিচ্ছবি: জনসেবায় নিবেদিত আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু
- আপডেট সময় : ১১:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
- / ১৫৯০ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রতিনিধিত্ব শুধু একটি পদ নয়, এটি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের এক অবিচ্ছিন্ন অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দিতে দীর্ঘদিন ধরে ৪৩নং ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন সমাজসেবক ও জনবান্ধব ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। ভোর থেকে গভীর রাত কখনো অলিগলিতে গণসংযোগ, কখনো অসুস্থ মানুষের শয্যাপাশে, কখনো জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে, আবার কখনো মশক নিধন কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। স্থানীয়দের কাছে তিনি শুধু একজন সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিই নন; বরং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো একজন আপন মানুষ।
মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গণসংযোগ। ধারাবাহিকভাবে ৪৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও মতবিনিময় করে যাচ্ছেন আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। প্রতিটি বাড়ি, প্রতিটি পরিবার এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি তাদের সুখ-দুঃখ, প্রত্যাশা ও বাস্তব সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, কাগজে-কলমে নয় মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথা শুনলেই একটি এলাকার প্রকৃত চিত্র জানা যায়। তাই তিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বছরের পর বছর মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
অসুস্থ মানুষের পাশে মানবিক সহযোদ্ধা। কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এমন খবর পেলেই যথাসম্ভব নিজেই হাসপাতালে ছুটে যান আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। রোগীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়া, স্বজনদের সাহস জোগানো, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলা এসব কাজ তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে অসচ্ছল রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে দেওয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ বহন করা এবং চিকিৎসা ব্যয়ের সহযোগিতা করারও অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। স্থানীয় মানুষের ভাষায়, “তিনি শুধু খোঁজ নেন না, সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দেন।”
নাগরিক সমস্যার সমাধানে মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি। ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনি নিজে মাঠে উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করেছেন। কোথাও ড্রেন পরিষ্কার, কোথাও বন্ধ হয়ে যাওয়া নালা উন্মুক্ত করা, আবার কোথাও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। বর্ষাকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এসব উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। রাস্তাঘাট উন্নয়নে আন্তরিক উদ্যোগ। চলাচলের অনুপযোগী ভাঙাচোরা রাস্তা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কষ্টকর করে তোলে। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট মেরামত এবং উন্নয়নের জন্য তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে নিজে উপস্থিত থেকে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছেন।
মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। স্থানীয়ভাবে লোক নিয়োগ দিয়ে ৪৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মশার ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। উৎসবে-দুঃসময়ে মানুষের পাশে। ঈদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তিনি মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, খোঁজখবর নেন এবং সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করেন। আবার কোনো পরিবার বিপদে পড়লে কিংবা কারও ব্যক্তিগত সংকটের খবর পেলে তিনি যথাসাধ্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন। তাঁর বিশ্বাস মানুষের পাশে থাকাই সবচেয়ে বড় সামাজিক দায়িত্ব।
সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক রাজনীতির আহ্বান। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মনে করেন, বিভেদ, হিংসা কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ কোনো সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। তিনি সবসময় পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং উন্নয়নমুখী ইতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, মানুষের হৃদয় জয় করতে হলে কাজ দিয়েই মানুষের আস্থা অর্জন করতে হয়।
তাঁর অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি চাই সুখে-দুঃখে সবসময় মানুষের পাশে থাকতে। অসুস্থ মানুষের সেবা করা, নাগরিক সমস্যার সমাধানে কাজ করা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে ৪৩নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও মানবিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগে মানুষ হওয়া জরুরি। মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা নিয়ে ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও জনকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।”
মানুষের প্রত্যাশা। স্থানীয়দের মতে, বছর আহম্মেদ বাবুর সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর সহজ-সরল আচরণ, মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার মানসিকতা এবং বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর অভ্যাস। গণসংযোগ, রোগীর সেবা, চিকিৎসা সহায়তা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কারের উদ্যোগ, মশক নিধন কার্যক্রম, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং নানামুখী জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ৪৩নং ওয়ার্ডের মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। মানুষের প্রত্যাশা এই মানবিক উদ্যোগ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও উন্নয়নমুখী চিন্তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। আর সেই পথ ধরেই গড়ে উঠুক একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, সুস্থ, আধুনিক ও মানবিক ৪৩নং ওয়ার্ড; যেখানে জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সম্পর্ক হবে বিশ্বাস, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের বন্ধনে আবদ্ধ।

















