ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফল বিক্রির সামান্য আয়, তবুও দলের কর্মসূচিতে নিজের উপার্জন ব্যয় মাদকবিরোধী অবস্থানে আপসহীন আবুল হোসেন খলিফা, মামলা নিয়ে প্রশ্ন রাজনীতিতে আদর্শ, জীবনে কুরআনের আলো হাফেজ কারী মাইনুদ্দিনের স্বপ্ন মানুষ গড়ার মন্ত্রীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খোকন মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন, কোনাবাড়িতে পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের জন্য এক-দুই মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার সুযোগ রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী মেধা, মনন ও স্বপ্নের পথে রামিসা মলিয়াত উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে ইংল্যান্ডে পাড়ি উদ্বোধনের আগেই ফাটল স্কুল ভবনের ছাদে, সরকারি উন্নয়নকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উজ্জ্বল চন্দ্র বর্মনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে নাজমুল হোসেন মন্ডল

মাদক, মাদক কারবারি ও অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার; নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধ এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

মাদকবিরোধী অবস্থানে আপসহীন আবুল হোসেন খলিফা, মামলা নিয়ে প্রশ্ন

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৭৯ বার পড়া হয়েছে




মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন খলিফা। তাঁর মতে, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেয়। তাই মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি মাদকের সঙ্গে জড়িত যেকোনো অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
টঙ্গীর এরশাদনগরের মহিউদ্দিন বাচ্চু রোড এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযোগ, স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে বিরোধ এবং মামলা ঘিরে সম্প্রতি আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে কয়েকজন জড়িত। এ বিষয়ে বাড়িওয়ালাদের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথাও জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে আবুল হোসেন খলিফার দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই তাঁকে বিরোধ ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না। তিনি মাদকবিরোধী সভা-সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেন, কারণ সমাজের তরুণদের মাদকের পথে ধ্বংস হতে দেখা তাঁর কাছে অত্যন্ত কষ্টের। তিনি বলেন, যারা মাদক কেনাবেচা করে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত, তারা শুধু নিজেদের নয়, সমাজেরও ক্ষতি করছে। এদের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও আইনগত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তবে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কাউকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দেওয়া কিংবা নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করাও কোনোভাবেই কাম্য নয়।
পুলিশের সোর্স পরিচয়ে অপতৎপরতার অভিযোগ, আবুল হোসেন খলিফা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি পুলিশের সোর্স পরিচয় ব্যবহার করে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে। তাঁর দাবি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে এবং অভিযান বা গ্রেপ্তারের পর জামিনে ফিরে এসে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখায়। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং নিজেদের ক্ষমতাবান হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। এমনকি মাদক কারবারের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি কিংবা তাঁদের ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িত থাকলে তাঁদেরও ছাড় দেওয়া উচিত নয়। অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না; অপরাধের পরিচয়ই মুখ্য।
তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতনের সুযোগ না পায়। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘আমার ক্ষতি করবেন না, আল্লাহ সব দেখেন’, নিজের অবস্থান তুলে ধরে আবুল হোসেন খলিফা বলেন, “আপনাদের একটা কথা বলি, আমার ক্ষতি করবেন অজান্তে, আল্লাহ দেখেন; আপনার প্রতি তা ফিরিয়ে দিতে পারেন, মনে রাখবেন। মানুষ চেনা বড় কঠিন একটা বিষয়।” তাঁর এই বক্তব্যে মানুষের প্রতি সতর্কবার্তার পাশাপাশি অন্যের ক্ষতি না করা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর কাছে জবাবদিহির বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি মনে করেন, সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা না হলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
মাদকমুক্ত এরশাদনগর গড়তে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ, আবুল হোসেন খলিফার মতে, এরশাদনগরকে মাদকমুক্ত করতে হলে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, বিক্রেতা, আশ্রয়দাতা এবং অপরাধে সহযোগিতাকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশের কোনো সদস্য, সোর্স কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ধারী কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি মনে করেন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বাড়িওয়ালা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। বিশেষ করে তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে।
এরশাদনগরের মানুষের প্রত্যাশা, মাদকবিরোধী অবস্থান যেন ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক বিরোধের হাতিয়ার না হয়। প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক, নিরপরাধ মানুষ হয়রানিমুক্ত থাকুক এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে। আবুল হোসেন খলিফার বক্তব্যের মূল বার্তা, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয়; এটি সমাজ, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার লড়াই। মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক এরশাদনগর গড়তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকাই সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদক, মাদক কারবারি ও অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার; নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধ এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

মাদকবিরোধী অবস্থানে আপসহীন আবুল হোসেন খলিফা, মামলা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন খলিফা। তাঁর মতে, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেয়। তাই মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি মাদকের সঙ্গে জড়িত যেকোনো অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
টঙ্গীর এরশাদনগরের মহিউদ্দিন বাচ্চু রোড এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযোগ, স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের সঙ্গে বিরোধ এবং মামলা ঘিরে সম্প্রতি আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে কয়েকজন জড়িত। এ বিষয়ে বাড়িওয়ালাদের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথাও জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে আবুল হোসেন খলিফার দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই তাঁকে বিরোধ ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না। তিনি মাদকবিরোধী সভা-সমাবেশ ও মিছিলে অংশ নেন, কারণ সমাজের তরুণদের মাদকের পথে ধ্বংস হতে দেখা তাঁর কাছে অত্যন্ত কষ্টের। তিনি বলেন, যারা মাদক কেনাবেচা করে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত, তারা শুধু নিজেদের নয়, সমাজেরও ক্ষতি করছে। এদের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও আইনগত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তবে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কাউকে মাদক ব্যবসায়ী আখ্যা দেওয়া কিংবা নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করাও কোনোভাবেই কাম্য নয়।
পুলিশের সোর্স পরিচয়ে অপতৎপরতার অভিযোগ, আবুল হোসেন খলিফা অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি পুলিশের সোর্স পরিচয় ব্যবহার করে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে। তাঁর দাবি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে এবং অভিযান বা গ্রেপ্তারের পর জামিনে ফিরে এসে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখায়। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলে সাধারণ মানুষকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং নিজেদের ক্ষমতাবান হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। এমনকি মাদক কারবারের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি কিংবা তাঁদের ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িত থাকলে তাঁদেরও ছাড় দেওয়া উচিত নয়। অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না; অপরাধের পরিচয়ই মুখ্য।
তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতনের সুযোগ না পায়। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘আমার ক্ষতি করবেন না, আল্লাহ সব দেখেন’, নিজের অবস্থান তুলে ধরে আবুল হোসেন খলিফা বলেন, “আপনাদের একটা কথা বলি, আমার ক্ষতি করবেন অজান্তে, আল্লাহ দেখেন; আপনার প্রতি তা ফিরিয়ে দিতে পারেন, মনে রাখবেন। মানুষ চেনা বড় কঠিন একটা বিষয়।” তাঁর এই বক্তব্যে মানুষের প্রতি সতর্কবার্তার পাশাপাশি অন্যের ক্ষতি না করা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর কাছে জবাবদিহির বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি মনে করেন, সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা না হলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
মাদকমুক্ত এরশাদনগর গড়তে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ, আবুল হোসেন খলিফার মতে, এরশাদনগরকে মাদকমুক্ত করতে হলে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; মাদকের উৎস, সরবরাহকারী, বিক্রেতা, আশ্রয়দাতা এবং অপরাধে সহযোগিতাকারীদের চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে পুলিশের কোনো সদস্য, সোর্স কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ধারী কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি মনে করেন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, বাড়িওয়ালা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। বিশেষ করে তরুণদের খেলাধুলা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে।
এরশাদনগরের মানুষের প্রত্যাশা, মাদকবিরোধী অবস্থান যেন ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক বিরোধের হাতিয়ার না হয়। প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক, নিরপরাধ মানুষ হয়রানিমুক্ত থাকুক এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে। আবুল হোসেন খলিফার বক্তব্যের মূল বার্তা, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে নয়; এটি সমাজ, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার লড়াই। মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও মানবিক এরশাদনগর গড়তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকাই সময়ের দাবি।