ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প সৌদির আরও বিনিয়োগ চান তারেক রহমান, আগ্রহ সৌরবিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি খাতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে পুনর্বহাল মনোয়ার হোসেন খোকন মিয়া মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে এক চিকিৎসকের পথচলা টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী মোকলেস নিখোঁজ: মেলেনি সন্ধান, মায়ের আকুল আর্তি—‘ছেলেকে শুধু একবার ফিরিয়ে দিন’ ইজতেমাকে ঘিরে এরশাদনগরে দাওয়াতি তৎপরতা জোরদার তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশ, বললেন মার্কিন বিশেষ দূত একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের

“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।” — প্রভাষক বশির উদ্দিন

প্রভাষক বশির উদ্দিন: গাজীপুর-৬ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী, আদর্শ, ত্যাগ ও জনভিত্তির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

md younus
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১৪২ বার পড়া হয়েছে




পরিবার ও শিক্ষাজীবন : প্রভাষক বশির উদ্দিন গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানাধীন আউচপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আব্দুল গনি, মাতা মোসাম্মৎ রেজিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি অন্যতম। পরিবারটি গাজীপুর অঞ্চলে পরিচিত ও সম্মানিত।
শিক্ষাজীবনের সূচনা হয় টঙ্গী কিণ্ডারগার্ড স্কুল থেকে। পরবর্তীতে ভর্তি হন আউচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর টঙ্গী পাইলট স্কুলে পড়াশোনা করেন, যা পরবর্তীতে টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজে রূপান্তরিত হয়। এখান থেকে এসএসসি পাস করেন ১৯৮৭ সালে, এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ১৯৮৯ সালে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিএসএস (১৯৯২) ও এমএসএস (১৯৯৩) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বাধা’ বিষয়ে এমফিল গবেষণা শুরু করেছিলেন, তবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চাপের কারণে গবেষণা স্থগিত হয়ে যায়। এমফিল শেষ করে তিনি “ডেমোক্রেসি ফর বাংলাদেশ” বিষয়ে গবেষণা সম্পন্ন করেন।
ছাত্র রাজনীতি ও নেতৃত্বের যাত্রা : প্রভাষক বশির উদ্দিনের রাজনীতির সূচনা হয় ছাত্রদল থেকে। তিনি দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ন পদে অধিষ্ঠিত হন।
পদ-পদবী ও সালক্রমে রাজনৈতিক অর্জন: ১৯৮৬-১৯৯০: সভাপতি, ছাত্রদল আউচপাড়া গ্রাম কমিটি (সাবেক ১ নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পৌরসভা), ১৯৮৭-১৯৯০: সিনিয়র সহ-সভাপতি, ছাত্রদল সাবেক ১ নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পৌরসভা, ১৯৮৭-১৯৯১: সম্মানিত সদস্য, গাজীপুর জেলা ছাত্রদল, ১৯৯২-১৯৯৩: সদস্য, স্যার এফ আর রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৯৩-১৯৯৪: দপ্তর সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, ১৯৯৩-১৯৯৮: সাধারণ সম্পাদক, স্যার এফ আর রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (মোশারফ-মনির কমিটি), ১৯৯৬-১৯৯৮: সম্মানিত সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ (এ্যানি-সোহেল কমিটি), ১৯৯৬-১৯৯৮: সহ পাঠাগার সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (সোহেল-পিন্টু কমিটি), ১৯৯৮-২০০০: সহ-সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (পিন্টু-লালটু কমিটি), ২০০০-২০০১: সিনিয়র সহ-সভাপতি, যুবদল, গাজীপুর জেলা, ২০১০-২০১৩: সভাপতি, যুবদল, গাজীপুর জেলা, ২০১৮-২০২۱: যুব বিষয়ক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি, ২০১৮-২০২২ মার্চ: সদ্য সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সফল সভাপতি, গাজীপুর মহানগর যুবদল, ২০২৩-২০২৫: টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সংগ্রামী আহ্বায়ক। ছাত্র রাজনীতি থেকে যুবদলের নেতৃত্ব পর্যন্ত তার পথচলায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতি, কর্মীদের পাশে থাকা এবং সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা সবসময় স্পষ্ট।
সংগ্রাম ও রাজনৈতিক নিপীড়ন : ২০০৭ সালের ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে বশির উদ্দিন আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের একচোখা নির্যাতনের শিকার হন। ৬৪টিরও বেশি মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। চার মাস জেল ভোগ করেন।
ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশে অংশ নেওয়ার সময় গ্রেফতার হন। এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করে তিনি ফিরে আসেন জনতার মাঝে। তার বক্তব্য, “আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কেউ আমাকে দমাতে পারেনি। আমি সব সময় রাজপথে ছিলাম, আছি, থাকব।”
কর্মীবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী নেতা, প্রভাষক বশির উদ্দিন কখনো পদ-পদবীর অহঙ্কারে ভোগেননি। তার বাসা সবসময় নেতাকর্মীদের জন্য উন্মুক্ত। মামলা, জেল, চাকরি, চিকিৎসা—যে কোনো বিপদে তিনি পাশে দাঁড়ান।
“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার : গাজীপুর-৬ আসন (গাছা, টঙ্গী, পূবাইল) জনবহুল ও শ্রমিকনির্ভর। বসির উদ্দিন বলেন, “আমি দলে পদ-পদবী চাই না। চাই গরীব, শ্রমজীবী, ছাত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে সমাজ গড়ার সুযোগ। যদি মহানগর বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি জান-প্রাণ দিয়ে জনগণের এমপি হতে চাই। আর যদি বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা হাসান উদ্দিন সরকার মনোনয়ন পান, আমি তার নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।”
তার মূল লক্ষ্য হলো: শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের বন্ধু হওয়া। মাদকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টিকর্তা হওয়া। জনগণের সঙ্গে মিশে থাকা একজন সেবক।
বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি আবেদন, প্রভাষক বশির উদ্দিন বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আমি সবসময় আপনার নির্দেশনা ও আদর্শে কাজ করেছি। গাজীপুর-৬ আসনের মানুষ আমাকে চায়। আমি দেশ ও দলের জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। আপনারা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন, আমি জনকল্যাণের লক্ষ্যে সব শক্তি দান করব। আর যদি অন্য নেতা মনোনয়ন পান, আমি তার পাশে থেকে দলের জন্য কাজ করব।”
উপসংহার : প্রভাষক বশির উদ্দিনের ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নিবেদিতপ্রাণ জীবন, দুর্নীতিমুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে গাজীপুর-৬ আসনের জন্য নিখুঁত প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার নেতৃত্বে জনকল্যাণ, শ্রমিকদের অধিকার, শিক্ষার উন্নয়ন এবং যুবসমাজের উন্নতি নিশ্চিত হবে বলে নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।” — প্রভাষক বশির উদ্দিন

প্রভাষক বশির উদ্দিন: গাজীপুর-৬ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী, আদর্শ, ত্যাগ ও জনভিত্তির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

পরিবার ও শিক্ষাজীবন : প্রভাষক বশির উদ্দিন গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানাধীন আউচপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আব্দুল গনি, মাতা মোসাম্মৎ রেজিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি অন্যতম। পরিবারটি গাজীপুর অঞ্চলে পরিচিত ও সম্মানিত।
শিক্ষাজীবনের সূচনা হয় টঙ্গী কিণ্ডারগার্ড স্কুল থেকে। পরবর্তীতে ভর্তি হন আউচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর টঙ্গী পাইলট স্কুলে পড়াশোনা করেন, যা পরবর্তীতে টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজে রূপান্তরিত হয়। এখান থেকে এসএসসি পাস করেন ১৯৮৭ সালে, এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ১৯৮৯ সালে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বিএসএস (১৯৯২) ও এমএসএস (১৯৯৩) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বাধা’ বিষয়ে এমফিল গবেষণা শুরু করেছিলেন, তবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চাপের কারণে গবেষণা স্থগিত হয়ে যায়। এমফিল শেষ করে তিনি “ডেমোক্রেসি ফর বাংলাদেশ” বিষয়ে গবেষণা সম্পন্ন করেন।
ছাত্র রাজনীতি ও নেতৃত্বের যাত্রা : প্রভাষক বশির উদ্দিনের রাজনীতির সূচনা হয় ছাত্রদল থেকে। তিনি দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ন পদে অধিষ্ঠিত হন।
পদ-পদবী ও সালক্রমে রাজনৈতিক অর্জন: ১৯৮৬-১৯৯০: সভাপতি, ছাত্রদল আউচপাড়া গ্রাম কমিটি (সাবেক ১ নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পৌরসভা), ১৯৮৭-১৯৯০: সিনিয়র সহ-সভাপতি, ছাত্রদল সাবেক ১ নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পৌরসভা, ১৯৮৭-১৯৯১: সম্মানিত সদস্য, গাজীপুর জেলা ছাত্রদল, ১৯৯২-১৯৯৩: সদস্য, স্যার এফ আর রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৯৩-১৯৯৪: দপ্তর সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, ১৯৯৩-১৯৯৮: সাধারণ সম্পাদক, স্যার এফ আর রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (মোশারফ-মনির কমিটি), ১৯৯৬-১৯৯৮: সম্মানিত সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ (এ্যানি-সোহেল কমিটি), ১৯৯৬-১৯৯৮: সহ পাঠাগার সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (সোহেল-পিন্টু কমিটি), ১৯৯৮-২০০০: সহ-সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (পিন্টু-লালটু কমিটি), ২০০০-২০০১: সিনিয়র সহ-সভাপতি, যুবদল, গাজীপুর জেলা, ২০১০-২০১৩: সভাপতি, যুবদল, গাজীপুর জেলা, ২০১৮-২০২۱: যুব বিষয়ক সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি, ২০১৮-২০২২ মার্চ: সদ্য সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সফল সভাপতি, গাজীপুর মহানগর যুবদল, ২০২৩-২০২৫: টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সংগ্রামী আহ্বায়ক। ছাত্র রাজনীতি থেকে যুবদলের নেতৃত্ব পর্যন্ত তার পথচলায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতি, কর্মীদের পাশে থাকা এবং সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা সবসময় স্পষ্ট।
সংগ্রাম ও রাজনৈতিক নিপীড়ন : ২০০৭ সালের ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে বশির উদ্দিন আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের একচোখা নির্যাতনের শিকার হন। ৬৪টিরও বেশি মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। চার মাস জেল ভোগ করেন।
ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশে অংশ নেওয়ার সময় গ্রেফতার হন। এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করে তিনি ফিরে আসেন জনতার মাঝে। তার বক্তব্য, “আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কেউ আমাকে দমাতে পারেনি। আমি সব সময় রাজপথে ছিলাম, আছি, থাকব।”
কর্মীবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী নেতা, প্রভাষক বশির উদ্দিন কখনো পদ-পদবীর অহঙ্কারে ভোগেননি। তার বাসা সবসময় নেতাকর্মীদের জন্য উন্মুক্ত। মামলা, জেল, চাকরি, চিকিৎসা—যে কোনো বিপদে তিনি পাশে দাঁড়ান।
“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার : গাজীপুর-৬ আসন (গাছা, টঙ্গী, পূবাইল) জনবহুল ও শ্রমিকনির্ভর। বসির উদ্দিন বলেন, “আমি দলে পদ-পদবী চাই না। চাই গরীব, শ্রমজীবী, ছাত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে সমাজ গড়ার সুযোগ। যদি মহানগর বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি জান-প্রাণ দিয়ে জনগণের এমপি হতে চাই। আর যদি বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা হাসান উদ্দিন সরকার মনোনয়ন পান, আমি তার নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।”
তার মূল লক্ষ্য হলো: শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের বন্ধু হওয়া। মাদকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টিকর্তা হওয়া। জনগণের সঙ্গে মিশে থাকা একজন সেবক।
বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি আবেদন, প্রভাষক বশির উদ্দিন বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, আমি সবসময় আপনার নির্দেশনা ও আদর্শে কাজ করেছি। গাজীপুর-৬ আসনের মানুষ আমাকে চায়। আমি দেশ ও দলের জন্য আমার জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। আপনারা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন, আমি জনকল্যাণের লক্ষ্যে সব শক্তি দান করব। আর যদি অন্য নেতা মনোনয়ন পান, আমি তার পাশে থেকে দলের জন্য কাজ করব।”
উপসংহার : প্রভাষক বশির উদ্দিনের ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নিবেদিতপ্রাণ জীবন, দুর্নীতিমুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে গাজীপুর-৬ আসনের জন্য নিখুঁত প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তার নেতৃত্বে জনকল্যাণ, শ্রমিকদের অধিকার, শিক্ষার উন্নয়ন এবং যুবসমাজের উন্নতি নিশ্চিত হবে বলে নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন।