ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীর রাজপথে শৃঙ্খলার মিছিল জল্পনা-কল্পনার অবসান, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন মিলগেট মাছিমপুর কো-অপারেটিভ মার্কেটে নতুন নেতৃত্বের অভিষেক গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি খালেদা জিয়ার কারামুক্তির স্মৃতি বুকে ধারণ করে রাজপথে কামরুজ্জামান টুটুল টঙ্গীতে অপপ্রচারের প্রতিবাদে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার প্রত্যয় টঙ্গীর রাজপথে সুমন-টিপুর নেতৃত্বে যুবদলের বিক্ষোভ মানুষের প্রয়োজনেই ছুটে চলেন আইয়ুব আলী পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুরে তাঁতীদলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দিন-রাত রাজপথে বিএনপি ৮৪-এর তরুণ: এথেন্সের মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের স্বর্ণগাথা পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে তাঁতীদলের সমাবেশ ও মিছিল

৪৩ নম্বর ওয়ার্ড জিয়া মঞ্চের নেতৃত্বে সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল; দিন-রাত নেতা-কর্মীদের নিয়ে মাঠে সক্রিয়

গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি খালেদা জিয়ার কারামুক্তির স্মৃতি বুকে ধারণ করে রাজপথে কামরুজ্জামান টুটুল

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৮৩ বার পড়া হয়েছে




একটি তারিখ, একটি স্মৃতি, আর একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস, ১১ সেপ্টেম্বর। ২০০৮ সালের এই দিনে ৩৭২ দিন আটক থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই কারামুক্তির স্মৃতি আজও বিএনপির নেতা-কর্মীদের রাজনৈতিক চেতনায় বিশেষভাবে আলোচিত। খালেদা জিয়ার সেই সংগ্রামী রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর ১৯তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন গাজীপুর মহানগরের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড জিয়া মঞ্চের সভাপতি কামরুজ্জামান টুটুল।
তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাম্প্রতিক চিত্রে উঠে আসছে, শুধু দিবস পালন নয়, দলীয় কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করে রাজপথে সক্রিয় থাকার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। স্মরণে খালেদা জিয়া, কর্মসূচিতে টুটুল, কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে কামরুজ্জামান টুটুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর বক্তব্যে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এই স্মৃতিকে সামনে রেখেই ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, কামরুজ্জামান টুটুলকে প্রায়ই কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সভা, মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে। দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা হলে তিনি নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করে মাঠে নামার চেষ্টা করেন। ফলে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চের কার্যক্রমও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে বলে তাঁরা মনে করেন।
নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজপথে, সম্প্রতি পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে গাজীপুরে জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে টঙ্গী বাজার ও ময়মনসিংহ রোড এলাকায় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় কামরুজ্জামান টুটুলের নেতৃত্বে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আয়োজকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য কিংবা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে তারা মাঠে থাকবেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মীদের পাশে, কর্মসূচিতে সামনে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কামরুজ্জামান টুটুলের কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দলীয় কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি থাকা। সভা থেকে মিছিল, বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিজের লোকবল নিয়ে উপস্থিত থাকার মাধ্যমে তিনি সংগঠনের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছেন। ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চের সভাপতি হিসেবে তাঁর লক্ষ্য, সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দলীয় কর্মসূচিগুলো শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখা।
রাজনীতির উত্তপ্ত মাঠে তাঁর এই সক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তাঁদের মতে, শুধু পদ-পদবিতে নয়, মাঠের কর্মসূচিতেই একজন সংগঠকের রাজনৈতিক উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়। আর সেই জায়গায় কামরুজ্জামান টুটুল নিয়মিত কর্মীদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করছেন। “গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি”
খালেদা জিয়ার কারামুক্তির স্মৃতি, দলের রাজনৈতিক আদর্শ এবং বর্তমান সময়ের কর্মসূচিকে একসূত্রে গেঁথে কামরুজ্জামান টুটুলের রাজনৈতিক পথচলায় একটি বার্তাই সামনে আসে, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি।
৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজপথে সভা, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর উপস্থিতি সেই রাজনৈতিক সক্রিয়তারই একটি চিত্র বলে মনে করছেন তাঁর অনুসারীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, সংগঠনের প্রতি দায়িত্বশীলতা, নেতা-কর্মীদের ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কামরুজ্জামান টুটুল ভবিষ্যতেও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখবেন। “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” এই স্লোগানে কারামুক্তির স্মৃতি থেকে আজকের রাজপথ; কামরুজ্জামান টুটুলের রাজনৈতিক পথচলায় খালেদা জিয়ার সংগ্রামের স্মৃতি যেন হয়ে উঠেছে কর্মীদের সঙ্গে থাকার এক অনুপ্রেরণার অধ্যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪৩ নম্বর ওয়ার্ড জিয়া মঞ্চের নেতৃত্বে সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল; দিন-রাত নেতা-কর্মীদের নিয়ে মাঠে সক্রিয়

গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি খালেদা জিয়ার কারামুক্তির স্মৃতি বুকে ধারণ করে রাজপথে কামরুজ্জামান টুটুল

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একটি তারিখ, একটি স্মৃতি, আর একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস, ১১ সেপ্টেম্বর। ২০০৮ সালের এই দিনে ৩৭২ দিন আটক থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই কারামুক্তির স্মৃতি আজও বিএনপির নেতা-কর্মীদের রাজনৈতিক চেতনায় বিশেষভাবে আলোচিত। খালেদা জিয়ার সেই সংগ্রামী রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর ১৯তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন গাজীপুর মহানগরের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড জিয়া মঞ্চের সভাপতি কামরুজ্জামান টুটুল।
তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাম্প্রতিক চিত্রে উঠে আসছে, শুধু দিবস পালন নয়, দলীয় কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করে রাজপথে সক্রিয় থাকার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। স্মরণে খালেদা জিয়া, কর্মসূচিতে টুটুল, কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে কামরুজ্জামান টুটুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও সংগ্রাম দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর বক্তব্যে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এই স্মৃতিকে সামনে রেখেই ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, কামরুজ্জামান টুটুলকে প্রায়ই কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সভা, মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে। দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা হলে তিনি নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করে মাঠে নামার চেষ্টা করেন। ফলে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চের কার্যক্রমও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে বলে তাঁরা মনে করেন।
নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজপথে, সম্প্রতি পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে গাজীপুরে জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে টঙ্গী বাজার ও ময়মনসিংহ রোড এলাকায় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় কামরুজ্জামান টুটুলের নেতৃত্বে ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আয়োজকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য কিংবা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে তারা মাঠে থাকবেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মীদের পাশে, কর্মসূচিতে সামনে, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কামরুজ্জামান টুটুলের কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দলীয় কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি থাকা। সভা থেকে মিছিল, বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিজের লোকবল নিয়ে উপস্থিত থাকার মাধ্যমে তিনি সংগঠনের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করছেন। ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চের সভাপতি হিসেবে তাঁর লক্ষ্য, সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং দলীয় কর্মসূচিগুলো শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখা।
রাজনীতির উত্তপ্ত মাঠে তাঁর এই সক্রিয়তা নিয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তাঁদের মতে, শুধু পদ-পদবিতে নয়, মাঠের কর্মসূচিতেই একজন সংগঠকের রাজনৈতিক উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়। আর সেই জায়গায় কামরুজ্জামান টুটুল নিয়মিত কর্মীদের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করছেন। “গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি”
খালেদা জিয়ার কারামুক্তির স্মৃতি, দলের রাজনৈতিক আদর্শ এবং বর্তমান সময়ের কর্মসূচিকে একসূত্রে গেঁথে কামরুজ্জামান টুটুলের রাজনৈতিক পথচলায় একটি বার্তাই সামনে আসে, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম, মানুষের জন্য রাজনীতি।
৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাজপথে সভা, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর উপস্থিতি সেই রাজনৈতিক সক্রিয়তারই একটি চিত্র বলে মনে করছেন তাঁর অনুসারীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, সংগঠনের প্রতি দায়িত্বশীলতা, নেতা-কর্মীদের ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কামরুজ্জামান টুটুল ভবিষ্যতেও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া মঞ্চকে আরও সংগঠিত ও সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখবেন। “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” এই স্লোগানে কারামুক্তির স্মৃতি থেকে আজকের রাজপথ; কামরুজ্জামান টুটুলের রাজনৈতিক পথচলায় খালেদা জিয়ার সংগ্রামের স্মৃতি যেন হয়ে উঠেছে কর্মীদের সঙ্গে থাকার এক অনুপ্রেরণার অধ্যায়।