১৪ মামলার রাজনৈতিক সংগ্রাম, তিনবার কারাবরণ, নির্যাতন-হয়রানির কঠিন দিন পেরিয়ে আজ মানুষের পাশে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ১৬ নম্বর ওয়ার্ড গড়ার অঙ্গীকার
সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক
- আপডেট সময় : ০৭:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৬৬৮ বার পড়া হয়েছে

একজন মানুষকে চেনা যায় তার পরিচয়ে নয়, চেনা যায় তার পথচলায়। কেউ নেতৃত্বে আসেন উত্তরাধিকার সূত্রে, কেউ আসেন সুযোগের দরজা দিয়ে। আবার কেউ কেউ দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, মামলা, কারাবরণ, নির্যাতন আর মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন। শফিকুল ইসলাম (শফিক) নিজেকে সেই সংগ্রামী পথের একজন মানুষ হিসেবেই তুলে ধরেন। কৈশোরে রাজনীতির মাঠে পা রাখা থেকে শুরু করে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, মামলা-কারাবরণ, প্রতিকূল সময়ে আত্মগোপনে থাকা, ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির মুখে পড়া এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার অভিজ্ঞতা, সবকিছুর মধ্য দিয়েই তার রাজনৈতিক জীবন এগিয়েছে বলে তিনি জানান। আজ তার সামনে নতুন স্বপ্ন, “একটি আধুনিক, পরিকল্পিত, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এবং সবুজ ১৬ নম্বর ওয়ার্ড।” আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
পদ-পদবীর চেয়ে বড়, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, শফিকুল ইসলাম শফিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় ১৯৯৭ সালে, যখন তিনি চান্দনা হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ছাত্রজীবনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল ও আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করেন। সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ভাওয়াল বদরে আলম কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতেন বলে জানান। কৈশোরের সেই পথচলা ধীরে ধীরে তাকে সাংগঠনিক রাজনীতির দিকে নিয়ে যায়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বগুলো হলো, ১৯৯৮ সাল: বাসন ইউনিয়ন ছাত্রদলের ১ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক। ২০০০ সাল: সদর থানা ছাত্রদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সাল: সদর থানা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক। পরবর্তী সময়ে: সাংগঠনিক সম্পাদক, শ্রমিকদল। সাবেক সহ-সভাপতি: বাসন মেট্রো থানা শ্রমিকদল। সাবেক সাধারণ সম্পাদক: ১৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদল। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: স্বেচ্ছাসেবক দল, গাজীপুর মহানগর। বর্তমান/সাংগঠনিক পরিচয়: সভাপতি, গাজীপুর জেলা হকার্স সমবায় সমিতি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে তিনি জানান। ১৪ মামলা, তিনবার কারাবরণ, সংগ্রামের কঠিন অধ্যায়, রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা বলতে গিয়ে শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, তিনি রাজনৈতিক কারণে ১৪টি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন এবং তিনবার কারাবরণ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে তিনি নিয়মিত বাড়িতে থাকতে পারতেন না। পুলিশ তাকে খুঁজতে বাড়িতে গেলে তাকে না পেয়ে তার ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। কখনো মাঠে, কখনো ধানক্ষেতে, কখনো অন্যত্র এভাবেই আত্মগোপনে দিন কাটাতে হয়েছে বলে তার বক্তব্য। তার ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছিল। এমনকি স্ত্রী ও সন্তানের কাছ থেকেও দূরে থাকতে হয়েছে।
তার স্ত্রী মোসাঃ রোকসানা আক্তার সেই কঠিন সময়ে সন্তানকে নিয়ে অন্যত্র থেকে সংসার সামলেছেন বলে তিনি জানান। শফিকুল ইসলামের ভাষায়, এই সময়টি ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলোর একটি। মামলা তাকে থামাতে পারেনি, বরং তার দাবি অনুযায়ী, সেই সময়ের অভিজ্ঞতাই তাকে সাধারণ মানুষের কষ্ট বুঝতে শিখিয়েছে।
শ্রমিকনেতা পিতার আদর্শে বড় হওয়া, শফিকুল ইসলাম শফিকের পিতা মোঃ হাজি আব্দুর রহমান ছিলেন বিশিষ্ট শ্রমিক ও পরিবহন নেতা বলে তিনি জানান। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া, অসহায় মানুষের সহযোগিতা এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল তার পিতার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বলে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়।
মাতা রুজিন আক্তার ছিলেন গৃহিণী। নারীদের বিভিন্ন প্রয়োজনে সহযোগিতা করতেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পিতা-মাতার সেই মানবিক শিক্ষা থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তৈরি হয়েছে, এমনটাই মনে করেন শফিকুল ইসলাম।
কৈশোরের রাজনীতি থেকে জনসেবার প্রত্যয়, ১৯৯৭ সালের সেই স্কুলপড়ুয়া কিশোর আজ বহু বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতায় পরিণত। তিনি বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং রাজনৈতিক কর্মীদেরও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। তার সঙ্গে তখন থেকেই একটি তরুণ কর্মীসমাজ তৈরি হয়েছিল বলে তিনি জানান। তার কাছে রাজনীতি ছিল শুধু মিছিল-মিটিং নয়, মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে দাঁড়ানোর একটি মাধ্যম।
রাস্তা-ড্রেনে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, শফিকুল ইসলাম শফিকের দাবি, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পাওয়ার অপেক্ষায় না থেকে তিনি আগে থেকেই এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যুক্ত আছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নর্থ সাউথ থেকে ১৯ টাওয়ার, পালের পাড়া, বিআরটিসি সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা নির্মাণ ও সংস্কারে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়া ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তা ও ড্রেন সংস্কারেও উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান। তার স্বপ্ন, ভবিষ্যতে নির্বাচিত হলে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ড্রেনেজ ও সড়ক ব্যবস্থার মাধ্যমে ওয়ার্ডের স্থায়ী উন্নয়ন করা। মশা-মাছির বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্যতম নাগরিক সমস্যা মশা-মাছির উপদ্রব কমাতে তিনি নিজ উদ্যোগে ওষুধ ছিটানোর ব্যবস্থা করছেন বলে জানান। তার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি রাখতে চান, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান। ২ হাজার ৩০০ টিসিবি কার্ড অসহায় মানুষের জন্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, শফিকুল ইসলাম শফিকের অন্যতম সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন ২ হাজার ৩০০ টিসিবি কার্ডের কথা। তার দাবি, নিম্নআয়ের ও অসহায় পরিবারগুলো যাতে ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যে কার্ড তৈরির ও বিতরণে তিনি সহযোগিতা করেছেন।
তার বক্তব্য, “মানুষ যেন তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, এটাই আমার চেষ্টা।” বাবার নামে মসজিদ সেবার সঙ্গে ধর্মীয় দায়িত্ব, পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাজি আব্দুর রহমান জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে জানান শফিকুল ইসলাম। এছাড়া নাওজোর হাবিবুল্লাহ জামে মসজিদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার কাছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমাজে নৈতিকতা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরির অন্যতম কেন্দ্র।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে থাকার অঙ্গীকার, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন শফিকুল ইসলাম। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহযোগিতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহযোগিতা করে আসছেন বলে তিনি দাবি করেন। তার স্বপ্ন, অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, শফিকুল ইসলাম শফিকের নির্বাচনী অঙ্গীকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত ১৬ নম্বর ওয়ার্ড। তিনি বলেন, কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা মাদক কারবারিকে এলাকায় প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তার ভাষায়, “অন্যায় দেখলে আমি প্রতিবাদ করি। এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা মাদকের কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হবে।” তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমনে শুধু একজন জনপ্রতিনিধি নয়—জনগণ, অভিভাবক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
ব্যবসায়ী ও শ্রমিকের নিরাপত্তা, অন্যতম অঙ্গীকার, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যবসায়ী ও গার্মেন্টস শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বসবাস করেন। শফিকুল ইসলামের পরিকল্পনায় রয়েছে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে, ব্যবসায়ী নিরাপদে ব্যবসা করবেন, শ্রমিক নিরাপদে কর্মস্থলে যাবেন, দিন শেষে নিরাপদে পরিবারে ফিরবেন। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অপরাধের কারণে কোনো ব্যবসায়ী কিংবা শ্রমিক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন, এ বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
মানুষের বিচার-আচার ও সামাজিক সমাধানের জায়গা, শফিকুল ইসলাম জানান, তার কার্যালয়ে স্থানীয় মানুষ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা ও বিরোধ নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, তিনি মানুষের কথা শুনে ন্যায়সঙ্গত ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করেন। তার বক্তব্য, “কেউ দূর থেকে আমার কাছে বিচার চাইতে এলে আমি মনে করি, আল্লাহ হয়তো তাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। তাই আমার সাধ্য অনুযায়ী তার পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব।” তবে আইনগত অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের কথাও তিনি বলেন। নীরব সেবাই তার দর্শন, শফিকুল ইসলাম শফিকের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি সাহায্যকে প্রচারের বিষয় বানাতে চান না।
তার ভাষায়, “আমি মানুষের জন্য যা করি, তা প্রচারের জন্য করতে চাই না। ডান হাত যা দেয়, বাম হাত যেন তা না জানে, এটাই আমার বিশ্বাস।” তার দাবি, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস।
পরিবারের দায়িত্ব ও ব্যক্তিজীবন, শফিকুল ইসলাম শফিক পাঁচ ভাই ও চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। তার স্ত্রী মোসাঃ রোকসানা আক্তার। তাদের এক ছেলে রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা, চাকরি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে তিনি জানান। বোনেরা গৃহিণী। রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পরিবারকেও তিনি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন।
জনপ্রতিনিধি হলে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে যে পরিবর্তন চান, শফিকুল ইসলাম শফিকের ঘোষিত লক্ষ্যগুলোকে সংক্ষেপে সাজালে দাঁড়ায়, আধুনিক নগর, পরিকল্পিত রাস্তা, ড্রেন ও নাগরিক অবকাঠামো। জলাবদ্ধতামুক্ত ওয়ার্ড, পরিকল্পিত ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। মশামুক্ত পরিবেশ, নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে অপরাধ প্রতিরোধ। চাঁদাবাজিমুক্ত ব্যবসা, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের নিরাপদ কর্মপরিবেশ। মাদকমুক্ত তরুণ সমাজ, খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা। সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব নাগরিক উদ্যোগ। শিক্ষাবান্ধব ওয়ার্ড স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার পাশে দাঁড়ানো। মানবিক ওয়ার্ড, দরিদ্র, অসহায়, নারী, শিশু ও প্রবীণদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানো। জনগণের কাছে জবাবদিহি, নাগরিকদের অভিযোগ ও পরামর্শ সরাসরি গ্রহণ করে উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা। সংগ্রামের অতীত, উন্নয়নের ভবিষ্যৎ, শফিকুল ইসলাম শফিকের রাজনৈতিক জীবনকে যদি একটি বাক্যে প্রকাশ করতে হয়, তবে বলা যায়, “সংগ্রামের পথ পেরিয়ে মানুষের সেবার রাজনীতিতে নতুন স্বপ্নের সন্ধান।” কৈশোরে রাজনীতিতে প্রবেশ, দীর্ঘ সাংগঠনিক পথচলা, রাজনৈতিক মামলা ও কারাবরণ, প্রতিকূল সময়ে আত্মগোপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা, তার বর্ণনায় এগুলো তার জীবনের কঠিন অধ্যায়। অন্যদিকে মসজিদ নির্মাণ, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, টিসিবি সুবিধা পৌঁছে দিতে সহযোগিতা, রাস্তা-ড্রেন সংস্কারে উদ্যোগ, মশক নিধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং সামাজিক বিচার-আচারে ভূমিকা রাখার দাবিগুলো তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ।
এখন তার সামনে নতুন পরীক্ষা, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের আস্থা অর্জন। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তোলা সম্ভব। শেষ কথা, নেতৃত্ব নয়, মানুষের সেবাই লক্ষ্য, শফিকুল ইসলাম শফিকের প্রত্যাশা, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ তাকে শুধু একজন প্রার্থী হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের একজন কর্মী হিসেবে মূল্যায়ন করবেন।
তার স্বপ্ন, “একটি নিরাপদ ওয়ার্ড, একটি পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড, একটি সবুজ ওয়ার্ড, একটি মাদকমুক্ত ওয়ার্ড, একটি চাঁদাবাজিমুক্ত ওয়ার্ড, একটি পরিকল্পিত ওয়ার্ড, যেখানে মানুষ তার নাগরিক অধিকার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।” এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি চান ১৬ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর দোয়া, ভালোবাসা, পরামর্শ ও সহযোগিতা। শফিকুল ইসলাম (শফিক) কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, সভাপতি, গাজীপুর জেলা হকার্স সমবায় সমিতি, স্বেচ্ছাসেবক দল, গাজীপুর মহানগর
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিকদল, সাবেক সহ-সভাপতি বাসন মেট্রো থানা শ্রমিকদল, সাবেক ছাত্রদল নেতা, বাসন ইউনিয়ন ও সদর থানা পর্যায়। তার প্রত্যয়: “মানুষের পাশে ছিলাম, আছি, ইনশাআল্লাহ, মানুষের সেবায়ই থাকতে চাই।”










