ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মানবতার আলোকবর্তিকা, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, গণমানুষের আস্থার ঠিকানা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩নং ওয়ার্ডে এক মানবিক ইতিহাসের নাম

md younus
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • / ১৫৯৩ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩নং ওয়ার্ডে আজ যে নামটি মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের সঙ্গে, তিনি হলেন আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। একজন সৎ, দানশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজসেবক হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। কারণ, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি একজন অভিভাবক, একজন মানবতার ফেরিওয়ালা, একজন নির্ভরতার নাম।
এলাকাবাসীর ভাষায়, “বাবু ভাই যা বলেন, তা কাজ করে দেখান।” “তিনি প্রতিশ্রুতি দেন না, দায়িত্ব নেন।”
পিতা মরহুম লাল মোহাম্মদ ও মাতা মরহুমা নুরজাহান বেগমের সন্তান আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু একটি সম্মানিত, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েছেন পরিবার থেকে। সেই শিক্ষা আজ তাকে পরিণত করেছে সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থলে।
শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও যুব সমাজ নিয়ে তার স্বপ্ন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু বিশ্বাস করেন, একটি সমাজকে বদলে দিতে হলে যুব সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হবে। তাই তিনি শুধু রাজনীতি নিয়ে ভাবেন না, তিনি ভাবেন এলাকার যুবক, ছাত্র-ছাত্রী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে। তিনি চান এলাকার কোনো যুবক বেকার না থাকুক। শিক্ষিত তরুণরা যেন চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়, সে জন্য তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। তার নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অসংখ্য শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি মনে করেন, “একজন মানুষের কর্মসংস্থান মানে একটি পরিবারের হাসি।”


তিনি বলেন, “আমি চাই ৪৩নং ওয়ার্ডের প্রতিটি যুবক মাথা উঁচু করে বাঁচুক।” “কেউ যেন অভাবের কারণে বিপথে না যায়।” “যুব সমাজকে চাকরি, শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে এগিয়ে নিতে যা প্রয়োজন, আমি তা করবো ইনশাআল্লাহ।” শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে সর্বদা প্রস্তুত। ৪৩নং ওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক ও মিল-কারখানার কর্মচারী বসবাস করেন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মনে করেন, এই শ্রমজীবী মানুষদের নিরাপত্তা, সম্মান ও জীবনমান উন্নয়ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি চান এমন একটি ওয়ার্ড গড়ে তুলতে, যেখানে শ্রমিকরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন, তাদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে এবং কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা হয়রানির শিকার হতে হবে না।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই ওয়ার্ডে শ্রমিকদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব।” “কোনো গরিব মানুষের কষ্ট আমি সহ্য করতে পারি না।” এলাকাবাসীর মতে, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং একজন অভিভাবকের মতোই শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবেন তিনি।
শিক্ষা বিস্তারে এক আলোকিত উদ্যোগ। শিশুদের ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন “জামিয়াতুস সুফফাহ আল-ইসলামিয়া” মাদ্রাসা। এখানেই থেমে নেই তার স্বপ্ন। তিনি একটি আধুনিক স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে চান, যেখানে এলাকার ছেলে-মেয়েরা যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারবে। নিজ অর্থায়নে জমি খোঁজা থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা পর্যন্ত সবকিছুতেই তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নীরব দান, নিরলস মানবসেবা। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি দান করেন, কিন্তু প্রচার করেন না। অসংখ্য গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে তিনি নীরবে দাঁড়ান। কারো চিকিৎসা, কারো খাবার, কারো শিক্ষা, কারো বাসাভাড়া সবকিছুতেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকেন।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রায় তিন হাজার মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন করে তিনি এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন। ঈদুল ফিতরে গরিব মানুষের মাঝে কাপড়, সেমাই ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন। ঈদুল আজহায় কোরবানির মাংস যেন প্রতিটি অভাবী পরিবারের ঘরে পৌঁছায়, সেজন্য তিনি নিজ উদ্যোগে ব্যাপক আয়োজন করেন।
স্থানীয়রা বলেন, “তিনি নিজের সুখের আগে গরিব মানুষের মুখের হাসিকে গুরুত্ব দেন।” “এমন দানশীল ও মানবিক মানুষ সমাজে খুব কম দেখা যায়।”
মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার। বর্তমান সমাজের সবচেয়ে বড় ভয় হলো মাদক, চুরি, ছিনতাই ও কিশোর অপরাধ। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার এলাকায় কোনো মাদক ব্যবসায়ী জায়গা পাবে না।” “চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও খারাপ কাজের বিরুদ্ধে আমি কঠোর অবস্থানে থাকবো।” “আমি খারাপ কাজ করি না, খারাপ কাজ করতে দিব না।”
তিনি বিশ্বাস করেন, যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে অপরাধ অনেকটাই কমে যাবে। তাই তিনি নিয়মিত খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং তরুণদের সামাজিক কাজে উৎসাহিত করছেন।
একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ।
বর্তমান সময়ে যখন অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ শোনা যায়, সেখানে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু এক ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তার বিরুদ্ধে নেই কোনো মামলা, নেই থানায় কোনো অভিযোগ। সততা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণেই তিনি সাধারণ মানুষের কাছে দিন দিন আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন। একজন হাজী ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি হিসেবে তিনি একটি শান্তিপূর্ণ, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেন। “আমি নিতে নয়, দিতে এসেছি” আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মনে করেন, জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো ব্যবসা নয় এটি মানুষের আমানত। তাই তিনি জনগণের কল্যাণে নিজের অর্থ, শ্রম ও সময় ব্যয় করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, “আমার কোনো লোভ-লালসা নেই।” “আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।” “সরকারি বরাদ্দ এনে জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করবো।” “ওয়ার্ডের রাস্তা, ড্রেন, আলো, নিরাপত্তা ও মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
এলাকাবাসীর মতে, তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের অর্থায়নেও এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করতে প্রস্তুত। মানুষের কষ্ট দেখলে তিনি চুপ করে থাকতে পারেন না। ৪৩নং ওয়ার্ডবাসীর স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি। আজ ৪৩নং ওয়ার্ডবাসী এমন একজন কাউন্সিলর চান, যিনি হবেন উন্নয়নের রূপকার, সততার প্রতীক এবং সাধারণ মানুষের আপনজন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু সেই প্রত্যাশারই প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন। তার জীবন যেন এক অনন্য মহাকাব্য যেখানে প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে মানুষের জন্য ভালোবাসা, আত্মত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ৪৩নং ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা, একজন সৎ, মানবিক, দানশীল ও পরীক্ষিত সমাজসেবক হিসেবে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুকে নির্বাচিত করলে ওয়ার্ডে উন্নয়ন, শান্তি, সৌহার্দ্য, কর্মসংস্থান ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।
মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি
আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু
কাউন্সিলর প্রার্থী, ৪৩নং ওয়ার্ড
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
“মানুষের সেবাই আমার রাজনীতি”
এই অঙ্গীকার নিয়েই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মানবতার আলোকবর্তিকা, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, গণমানুষের আস্থার ঠিকানা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩নং ওয়ার্ডে এক মানবিক ইতিহাসের নাম

আপডেট সময় : ০১:০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩নং ওয়ার্ডে আজ যে নামটি মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের সঙ্গে, তিনি হলেন আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু। একজন সৎ, দানশীল, মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজসেবক হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। কারণ, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি একজন অভিভাবক, একজন মানবতার ফেরিওয়ালা, একজন নির্ভরতার নাম।
এলাকাবাসীর ভাষায়, “বাবু ভাই যা বলেন, তা কাজ করে দেখান।” “তিনি প্রতিশ্রুতি দেন না, দায়িত্ব নেন।”
পিতা মরহুম লাল মোহাম্মদ ও মাতা মরহুমা নুরজাহান বেগমের সন্তান আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু একটি সম্মানিত, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েছেন পরিবার থেকে। সেই শিক্ষা আজ তাকে পরিণত করেছে সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থলে।
শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও যুব সমাজ নিয়ে তার স্বপ্ন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু বিশ্বাস করেন, একটি সমাজকে বদলে দিতে হলে যুব সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হবে। তাই তিনি শুধু রাজনীতি নিয়ে ভাবেন না, তিনি ভাবেন এলাকার যুবক, ছাত্র-ছাত্রী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে। তিনি চান এলাকার কোনো যুবক বেকার না থাকুক। শিক্ষিত তরুণরা যেন চাকরির জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়, সে জন্য তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। তার নিজের প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অসংখ্য শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি মনে করেন, “একজন মানুষের কর্মসংস্থান মানে একটি পরিবারের হাসি।”


তিনি বলেন, “আমি চাই ৪৩নং ওয়ার্ডের প্রতিটি যুবক মাথা উঁচু করে বাঁচুক।” “কেউ যেন অভাবের কারণে বিপথে না যায়।” “যুব সমাজকে চাকরি, শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে এগিয়ে নিতে যা প্রয়োজন, আমি তা করবো ইনশাআল্লাহ।” শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে সর্বদা প্রস্তুত। ৪৩নং ওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক ও মিল-কারখানার কর্মচারী বসবাস করেন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মনে করেন, এই শ্রমজীবী মানুষদের নিরাপত্তা, সম্মান ও জীবনমান উন্নয়ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি চান এমন একটি ওয়ার্ড গড়ে তুলতে, যেখানে শ্রমিকরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন, তাদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে এবং কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা হয়রানির শিকার হতে হবে না।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এই ওয়ার্ডে শ্রমিকদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব।” “কোনো গরিব মানুষের কষ্ট আমি সহ্য করতে পারি না।” এলাকাবাসীর মতে, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং একজন অভিভাবকের মতোই শ্রমজীবী মানুষের কথা ভাবেন তিনি।
শিক্ষা বিস্তারে এক আলোকিত উদ্যোগ। শিশুদের ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন “জামিয়াতুস সুফফাহ আল-ইসলামিয়া” মাদ্রাসা। এখানেই থেমে নেই তার স্বপ্ন। তিনি একটি আধুনিক স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে চান, যেখানে এলাকার ছেলে-মেয়েরা যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারবে। নিজ অর্থায়নে জমি খোঁজা থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা পর্যন্ত সবকিছুতেই তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নীরব দান, নিরলস মানবসেবা। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি দান করেন, কিন্তু প্রচার করেন না। অসংখ্য গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে তিনি নীরবে দাঁড়ান। কারো চিকিৎসা, কারো খাবার, কারো শিক্ষা, কারো বাসাভাড়া সবকিছুতেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকেন।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রায় তিন হাজার মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন করে তিনি এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন। ঈদুল ফিতরে গরিব মানুষের মাঝে কাপড়, সেমাই ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন। ঈদুল আজহায় কোরবানির মাংস যেন প্রতিটি অভাবী পরিবারের ঘরে পৌঁছায়, সেজন্য তিনি নিজ উদ্যোগে ব্যাপক আয়োজন করেন।
স্থানীয়রা বলেন, “তিনি নিজের সুখের আগে গরিব মানুষের মুখের হাসিকে গুরুত্ব দেন।” “এমন দানশীল ও মানবিক মানুষ সমাজে খুব কম দেখা যায়।”
মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার। বর্তমান সমাজের সবচেয়ে বড় ভয় হলো মাদক, চুরি, ছিনতাই ও কিশোর অপরাধ। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার এলাকায় কোনো মাদক ব্যবসায়ী জায়গা পাবে না।” “চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও খারাপ কাজের বিরুদ্ধে আমি কঠোর অবস্থানে থাকবো।” “আমি খারাপ কাজ করি না, খারাপ কাজ করতে দিব না।”
তিনি বিশ্বাস করেন, যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে অপরাধ অনেকটাই কমে যাবে। তাই তিনি নিয়মিত খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ, টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং তরুণদের সামাজিক কাজে উৎসাহিত করছেন।
একজন সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ।
বর্তমান সময়ে যখন অনেক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ শোনা যায়, সেখানে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু এক ব্যতিক্রমধর্মী নাম। তার বিরুদ্ধে নেই কোনো মামলা, নেই থানায় কোনো অভিযোগ। সততা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণেই তিনি সাধারণ মানুষের কাছে দিন দিন আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন। একজন হাজী ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি হিসেবে তিনি একটি শান্তিপূর্ণ, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেন। “আমি নিতে নয়, দিতে এসেছি” আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু মনে করেন, জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো ব্যবসা নয় এটি মানুষের আমানত। তাই তিনি জনগণের কল্যাণে নিজের অর্থ, শ্রম ও সময় ব্যয় করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, “আমার কোনো লোভ-লালসা নেই।” “আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।” “সরকারি বরাদ্দ এনে জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করবো।” “ওয়ার্ডের রাস্তা, ড্রেন, আলো, নিরাপত্তা ও মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
এলাকাবাসীর মতে, তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি নিজের অর্থায়নেও এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করতে প্রস্তুত। মানুষের কষ্ট দেখলে তিনি চুপ করে থাকতে পারেন না। ৪৩নং ওয়ার্ডবাসীর স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি। আজ ৪৩নং ওয়ার্ডবাসী এমন একজন কাউন্সিলর চান, যিনি হবেন উন্নয়নের রূপকার, সততার প্রতীক এবং সাধারণ মানুষের আপনজন। আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু সেই প্রত্যাশারই প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন। তার জীবন যেন এক অনন্য মহাকাব্য যেখানে প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে মানুষের জন্য ভালোবাসা, আত্মত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ৪৩নং ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা, একজন সৎ, মানবিক, দানশীল ও পরীক্ষিত সমাজসেবক হিসেবে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুকে নির্বাচিত করলে ওয়ার্ডে উন্নয়ন, শান্তি, সৌহার্দ্য, কর্মসংস্থান ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।
মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন নিয়েই এগিয়ে চলেছেন তিনি
আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবু
কাউন্সিলর প্রার্থী, ৪৩নং ওয়ার্ড
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
“মানুষের সেবাই আমার রাজনীতি”
এই অঙ্গীকার নিয়েই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।