ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের সেবা করতে চাই” ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্বাচনে জনগণের আহ্বানে সাড়া দিলেন সাবেক যুবদল সভাপতি সফিক

মানুষের ভালোবাসার ডাকেই এগিয়ে আসা এক নীরব মানবতার সৈনিক এরশাদ নগরের আস্থার প্রতীক মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক)

md younus
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / ১৬৪৯ বার পড়া হয়েছে

এরশাদ নগরের মাটি বহু সংগ্রাম, বহু ত্যাগ আর বহু রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী। সেই ইতিহাসের অলিগলিতে আজও উচ্চারিত হয় কিছু নাম যারা ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের হৃদয়ের জন্য রাজনীতি করেছেন। তেমনি এক পরিচিত মুখ, এক নীরব সমাজসেবক, এক পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী হলেন মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক), সাবেক সভাপতি, যুবদল, এরশাদ নগর ৩নং ব্লক।
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি যখন এলাকার মানুষের সামনে নিজের মনের কথা তুলে ধরেন, তখন তার কণ্ঠে ছিল না কোনো অহংকার, ছিল না ক্ষমতার লোভ; বরং ছিল দায়িত্ববোধ, আত্মসমালোচনা আর মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচন করতে চাইনি। কারণ আমি দেখেছি অনেকেই নির্বাচন করে শুধু মানুষকে দেখানোর জন্য, প্রতারণা করার জন্য। আমি চাই না মানুষের সাথে ধোঁকাবাজি করতে। আল্লাহ তাআলা সব দেখেন। একজন সৎ মানুষের পাশে আল্লাহ সবসময় থাকেন।”
এই কথাগুলো যেন কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; বরং এক বিবেকবান মানুষের আত্মার ভাষা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ভোট মানে শুধু ক্ষমতা নয় এটি একটি আমানত, একটি জবাবদিহিতা। তাই তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মানুষের সেবা দিতে না পারলে আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে।” আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় যেখানে অর্থ আর প্রভাবের প্রতিযোগিতা চলে, সেখানে সফিকের কণ্ঠে উঠে আসে ত্যাগের রাজনীতি, আদর্শের রাজনীতি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন সেই সময়ের কথা, যখন বিএনপি করার সাহসী মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। “অনেকেই তখন পাশে ছিল না। সাধারণ সম্পাদক তো দূরের কথা, বিএনপির নাম নেওয়ার লোকও পাওয়া কঠিন ছিল। অথচ আজ অনেকেই টাকার জোরে নতুন নেতা সাজার চেষ্টা করছে।”
তার অভিযোগ, কিছু মানুষ অতীতে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ছিল, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে, তাদের সঙ্গে চলাফেরা করেছে; অথচ এখন নিজের পরিচয় বদলে বিএনপির নেতা হতে চাইছে। কিন্তু জনগণ সব বোঝে এটাই তার বিশ্বাস।
সফিক বলেন, “আমি কাউকে দেখানোর জন্য সাহায্য করি না। আমি চাই আল্লাহ দেখুক। তাই আমি চেষ্টা করি নিরবে দান করতে, যেন ডান হাত দিলে বাম হাতও না জানে।” তার এই মানবিক দর্শন যেন ধর্মীয় শিক্ষার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ইসলামের ইতিহাসে যেমন নিঃস্বার্থ দানের শিক্ষা রয়েছে, তেমনি সফিকও বিশ্বাস করেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। এরশাদ নগরের অলিগলিতে আজ তার পোস্টার, ফেস্টুন, আর সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটি নাম “সফিক ভাই”।
তিনি নিজেই বলেন, “আমি আগ্রহী ছিলাম না। কিন্তু এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবাসা দিয়েছে, দায়িত্ব দিয়েছে। তাই মনে হচ্ছে, এই এলাকার হাল আমাকে ধরতে হবে।” এই ভালোবাসা কোনো একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, বিপদে সহযোগিতা করা, রাজনৈতিক সংকটে সাহস দেওয়া এসব মিলিয়েই তিনি হয়ে উঠেছেন জনগণের আস্থার প্রতীক। ঈদুল আযহার এই পবিত্র মুহূর্তে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,  “আমি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। যদি জনগণ চায়, তাহলে আমি নির্বাচন করব এবং গরিব-অসহায় মানুষের সেবা করে যাব ইনশাআল্লাহ।”
এ যেন কেবল একজন প্রার্থীর ভাষণ নয় এ যেন এক জনপদের আশা, এক এলাকার হৃদয়ের আবেদন। যেখানে রাজনীতি হবে মানবতার জন্য, নেতৃত্ব হবে সততার প্রতীক, আর জনপ্রতিনিধি হবে জনগণের আপনজন। মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক) একটি নাম, একটি বিশ্বাস, একটি নীরব প্রতিজ্ঞা। “মানুষের ভালোবাসাই হবে আমার সবচেয়ে বড় বিজয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“দেখানোর জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের সেবা করতে চাই” ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে নির্বাচনে জনগণের আহ্বানে সাড়া দিলেন সাবেক যুবদল সভাপতি সফিক

মানুষের ভালোবাসার ডাকেই এগিয়ে আসা এক নীরব মানবতার সৈনিক এরশাদ নগরের আস্থার প্রতীক মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক)

আপডেট সময় : ০৬:১১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

এরশাদ নগরের মাটি বহু সংগ্রাম, বহু ত্যাগ আর বহু রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী। সেই ইতিহাসের অলিগলিতে আজও উচ্চারিত হয় কিছু নাম যারা ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের হৃদয়ের জন্য রাজনীতি করেছেন। তেমনি এক পরিচিত মুখ, এক নীরব সমাজসেবক, এক পরীক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী হলেন মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক), সাবেক সভাপতি, যুবদল, এরশাদ নগর ৩নং ব্লক।
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি যখন এলাকার মানুষের সামনে নিজের মনের কথা তুলে ধরেন, তখন তার কণ্ঠে ছিল না কোনো অহংকার, ছিল না ক্ষমতার লোভ; বরং ছিল দায়িত্ববোধ, আত্মসমালোচনা আর মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তিনি বলেন, “আমি নির্বাচন করতে চাইনি। কারণ আমি দেখেছি অনেকেই নির্বাচন করে শুধু মানুষকে দেখানোর জন্য, প্রতারণা করার জন্য। আমি চাই না মানুষের সাথে ধোঁকাবাজি করতে। আল্লাহ তাআলা সব দেখেন। একজন সৎ মানুষের পাশে আল্লাহ সবসময় থাকেন।”
এই কথাগুলো যেন কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; বরং এক বিবেকবান মানুষের আত্মার ভাষা। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের ভোট মানে শুধু ক্ষমতা নয় এটি একটি আমানত, একটি জবাবদিহিতা। তাই তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মানুষের সেবা দিতে না পারলে আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে।” আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় যেখানে অর্থ আর প্রভাবের প্রতিযোগিতা চলে, সেখানে সফিকের কণ্ঠে উঠে আসে ত্যাগের রাজনীতি, আদর্শের রাজনীতি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন সেই সময়ের কথা, যখন বিএনপি করার সাহসী মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। “অনেকেই তখন পাশে ছিল না। সাধারণ সম্পাদক তো দূরের কথা, বিএনপির নাম নেওয়ার লোকও পাওয়া কঠিন ছিল। অথচ আজ অনেকেই টাকার জোরে নতুন নেতা সাজার চেষ্টা করছে।”
তার অভিযোগ, কিছু মানুষ অতীতে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ছিল, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে, তাদের সঙ্গে চলাফেরা করেছে; অথচ এখন নিজের পরিচয় বদলে বিএনপির নেতা হতে চাইছে। কিন্তু জনগণ সব বোঝে এটাই তার বিশ্বাস।
সফিক বলেন, “আমি কাউকে দেখানোর জন্য সাহায্য করি না। আমি চাই আল্লাহ দেখুক। তাই আমি চেষ্টা করি নিরবে দান করতে, যেন ডান হাত দিলে বাম হাতও না জানে।” তার এই মানবিক দর্শন যেন ধর্মীয় শিক্ষার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। ইসলামের ইতিহাসে যেমন নিঃস্বার্থ দানের শিক্ষা রয়েছে, তেমনি সফিকও বিশ্বাস করেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। এরশাদ নগরের অলিগলিতে আজ তার পোস্টার, ফেস্টুন, আর সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটি নাম “সফিক ভাই”।
তিনি নিজেই বলেন, “আমি আগ্রহী ছিলাম না। কিন্তু এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবাসা দিয়েছে, দায়িত্ব দিয়েছে। তাই মনে হচ্ছে, এই এলাকার হাল আমাকে ধরতে হবে।” এই ভালোবাসা কোনো একদিনে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, বিপদে সহযোগিতা করা, রাজনৈতিক সংকটে সাহস দেওয়া এসব মিলিয়েই তিনি হয়ে উঠেছেন জনগণের আস্থার প্রতীক। ঈদুল আযহার এই পবিত্র মুহূর্তে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,  “আমি সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। যদি জনগণ চায়, তাহলে আমি নির্বাচন করব এবং গরিব-অসহায় মানুষের সেবা করে যাব ইনশাআল্লাহ।”
এ যেন কেবল একজন প্রার্থীর ভাষণ নয় এ যেন এক জনপদের আশা, এক এলাকার হৃদয়ের আবেদন। যেখানে রাজনীতি হবে মানবতার জন্য, নেতৃত্ব হবে সততার প্রতীক, আর জনপ্রতিনিধি হবে জনগণের আপনজন। মোঃ শফিকুর ইসলাম (সফিক) একটি নাম, একটি বিশ্বাস, একটি নীরব প্রতিজ্ঞা। “মানুষের ভালোবাসাই হবে আমার সবচেয়ে বড় বিজয়।”