ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবদলের কেন্দ্রীয় সতর্কবার্তা থেকে মাঠের বাস্তবতা অসুস্থ শরীরেও দলের জন্য নিবেদিত এক নির্ভীক নেতা

ত্যাগ, সংগ্রাম ও নৈতিকতার অগ্নিপথে এক যোদ্ধা শেখ মোঃ সুমন

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / ১৬৪২ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি শুধু পদ-পদবি নয় এটি ত্যাগের, এটি পরীক্ষার, এটি নিঃশব্দ কান্নার এক দীর্ঘ পথচলা। ৫ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যেখানে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, টেন্ডার সন্ত্রাস, দখলবাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়।
এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয় সংগঠনের আদর্শবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নির্দেশনা প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।


নীতির সাথে বাস্তবতার মেলবন্ধন। কেন্দ্রীয় এই কঠোর অবস্থানের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় মাঠ পর্যায়ের কিছু নেতার মধ্যে যাদের একজন হলেন গাজীপুরের সাহসী সংগঠক শেখ মোঃ সুমন। তিনি শুধু নির্দেশ পালন করেন না তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন একটি নীতির প্রতীক। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে কোনো অপকর্ম নয়। মাদক, সন্ত্রাস, দখলবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান। এসব শুধু তার বক্তব্য নয়, এসব তার জীবনের বাস্তব চর্চা।
সংগ্রামের ইতিহাস! ঝুঁকি নিয়েও থামেননি। একটা সময় ছিল যখন রাজনীতি মানেই ছিল ভয়, মামলা, পুলিশি তাড়া। সেই সময়েও শেখ মোঃ সুমন পিছিয়ে যাননি। কখনো পুলিশের ধাওয়া এড়িয়ে, ৫-৬ তলা ভবন থেকে পাইপ বেয়ে নেমে জীবন বাঁচিয়েছেন, কখনো পা ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে তবুও থামেননি। কারণ তার কাছে দল মানে ছিল একটি আদর্শ, একটি বিশ্বাস, একটি স্বপ্ন। মিটিং-মিছিল বন্ধ থাকলেও বাড়ির ছাদে, গোপন বৈঠকে। চলেছে সংগঠনের পরিকল্পনা।
ত্যাগের মূল্য কি সবসময় পাওয়া যায়? “সবারটা শুনতে শুনতে নিজেরটা আর বলা হলো না…”
দলের জন্য জীবন, পরিবার, অর্থ সবকিছু বিলিয়ে দিয়েও অনেক সময় প্রাপ্য মূল্যায়ন পাওয়া যায় না।
অনেক ঊর্ধ্বতন নেতা হয়তো জানেন না মাঠের এই ত্যাগ, এই অসুস্থ শরীর নিয়ে লড়াই, এই নীরব কান্নার গল্প।
তবুও শেখ মোঃ সুমন থেমে থাকেননি। তিনি বিশ্বাস করেন—
একদিন সত্যিকারের ত্যাগের মূল্যায়ন হবেই।
শোকেও পাশে সংগঠনের মানবিকতা। একই দিনে সংগঠনের আরেকটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল খন্দকার সুমন-এর পিতা খন্দকার আবুল হোসেন সামসুর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। এই শোকবার্তায়ও প্রমাণ হয় যুবদল শুধু রাজনীতি নয়, এটি একটি পরিবার, একটি সহমর্মিতার বন্ধন।
১লা মে’র উপস্থিতি সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের কর্মসূচিতে। গাজীপুর মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন,
যেখানে নেতৃত্ব দেন সাজেদুল ইসলাম এবং মাহমুদ হাসান রাজু। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। এই উপস্থিতি শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না এটি ছিল একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রকাশ।
কেউ দেখে—
কেউ দেখে না।
কেউ মূল্যায়ন করে—
কেউ করে না।
কিন্তু ইতিহাস সব দেখে।
শেখ মোঃ সুমনের মতো নেতারা
প্রমাণ করে দেন—
রাজনীতি এখনো মানবিক হতে পারে,
ত্যাগ এখনো বেঁচে আছে,
আর সত্যিকারের কর্মীরা কখনো হারিয়ে যায় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যুবদলের কেন্দ্রীয় সতর্কবার্তা থেকে মাঠের বাস্তবতা অসুস্থ শরীরেও দলের জন্য নিবেদিত এক নির্ভীক নেতা

ত্যাগ, সংগ্রাম ও নৈতিকতার অগ্নিপথে এক যোদ্ধা শেখ মোঃ সুমন

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রাজনীতি শুধু পদ-পদবি নয় এটি ত্যাগের, এটি পরীক্ষার, এটি নিঃশব্দ কান্নার এক দীর্ঘ পথচলা। ৫ মে ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যেখানে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, টেন্ডার সন্ত্রাস, দখলবাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়।
এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয় সংগঠনের আদর্শবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নির্দেশনা প্রদান করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন।


নীতির সাথে বাস্তবতার মেলবন্ধন। কেন্দ্রীয় এই কঠোর অবস্থানের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় মাঠ পর্যায়ের কিছু নেতার মধ্যে যাদের একজন হলেন গাজীপুরের সাহসী সংগঠক শেখ মোঃ সুমন। তিনি শুধু নির্দেশ পালন করেন না তিনি নিজেই হয়ে উঠেছেন একটি নীতির প্রতীক। যুবদলের নাম ভাঙিয়ে কোনো অপকর্ম নয়। মাদক, সন্ত্রাস, দখলবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান। এসব শুধু তার বক্তব্য নয়, এসব তার জীবনের বাস্তব চর্চা।
সংগ্রামের ইতিহাস! ঝুঁকি নিয়েও থামেননি। একটা সময় ছিল যখন রাজনীতি মানেই ছিল ভয়, মামলা, পুলিশি তাড়া। সেই সময়েও শেখ মোঃ সুমন পিছিয়ে যাননি। কখনো পুলিশের ধাওয়া এড়িয়ে, ৫-৬ তলা ভবন থেকে পাইপ বেয়ে নেমে জীবন বাঁচিয়েছেন, কখনো পা ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে তবুও থামেননি। কারণ তার কাছে দল মানে ছিল একটি আদর্শ, একটি বিশ্বাস, একটি স্বপ্ন। মিটিং-মিছিল বন্ধ থাকলেও বাড়ির ছাদে, গোপন বৈঠকে। চলেছে সংগঠনের পরিকল্পনা।
ত্যাগের মূল্য কি সবসময় পাওয়া যায়? “সবারটা শুনতে শুনতে নিজেরটা আর বলা হলো না…”
দলের জন্য জীবন, পরিবার, অর্থ সবকিছু বিলিয়ে দিয়েও অনেক সময় প্রাপ্য মূল্যায়ন পাওয়া যায় না।
অনেক ঊর্ধ্বতন নেতা হয়তো জানেন না মাঠের এই ত্যাগ, এই অসুস্থ শরীর নিয়ে লড়াই, এই নীরব কান্নার গল্প।
তবুও শেখ মোঃ সুমন থেমে থাকেননি। তিনি বিশ্বাস করেন—
একদিন সত্যিকারের ত্যাগের মূল্যায়ন হবেই।
শোকেও পাশে সংগঠনের মানবিকতা। একই দিনে সংগঠনের আরেকটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল খন্দকার সুমন-এর পিতা খন্দকার আবুল হোসেন সামসুর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। এই শোকবার্তায়ও প্রমাণ হয় যুবদল শুধু রাজনীতি নয়, এটি একটি পরিবার, একটি সহমর্মিতার বন্ধন।
১লা মে’র উপস্থিতি সংগ্রামের ধারাবাহিকতা। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের কর্মসূচিতে। গাজীপুর মহানগর যুবদলের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন,
যেখানে নেতৃত্ব দেন সাজেদুল ইসলাম এবং মাহমুদ হাসান রাজু। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান। এই উপস্থিতি শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না এটি ছিল একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রকাশ।
কেউ দেখে—
কেউ দেখে না।
কেউ মূল্যায়ন করে—
কেউ করে না।
কিন্তু ইতিহাস সব দেখে।
শেখ মোঃ সুমনের মতো নেতারা
প্রমাণ করে দেন—
রাজনীতি এখনো মানবিক হতে পারে,
ত্যাগ এখনো বেঁচে আছে,
আর সত্যিকারের কর্মীরা কখনো হারিয়ে যায় না।