শ্রমিক-মালিক সম্প্রীতি, ন্যায্য অধিকার ও সেবামূলক কার্যক্রমে ৪৯ নং ওয়ার্ডে আস্থার প্রতীক
মে দিবসে মেহনতি মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার—লাইলী বেগমের মানবিক নেতৃত্ব
- আপডেট সময় : ০৪:৩৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৭২৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, শ্রমিক-মালিক ভাই ভাই সোনার বাংলা গড়তে চাই। মহান ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে সকল শ্রমজীবী, মেহনতি ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন ৪৯ নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী মোসাম্মৎ লাইলী বেগম। শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ন্যায্য অধিকার ও মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, “শ্রমিক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, শ্রমিকের সম্মান রক্ষাই উন্নত বাংলাদেশের ভিত্তি।”
মানবিকতা ও সেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মোসাম্মৎ লাইলী বেগম শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক সমাজসেবক হিসেবেও এলাকায় সুপরিচিত। তিনি দলকে ভালোবাসেন, বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী এবং মানুষের পাশে থাকাকেই নিজের দায়িত্ব মনে করেন। এলাকার গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি নিয়মিতভাবে। খাদ্য সহায়তা (ডাল, চাল, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী)
পোশাক বিতরণ (শাড়ি, লুঙ্গি ইত্যাদি), জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন।
সমস্যা সমাধানে সাহসী ভূমিকায় ৪৯ নং ওয়ার্ডের যেকোনো সমস্যা সমাধানে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। প্রশাসনিক জটিলতা হোক বা সামাজিক সমস্যা, তিনি নির্ভীকভাবে এগিয়ে যান এবং সমাধানের চেষ্টা করেন। বিশেষ করে নির্যাতিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। মিথ্যা মামলার শিকার নিরপরাধদের সহায়তা করা। থানায় অভিযোগ বা আইনি সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। এসব ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয়তা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত।
শ্রমিকবান্ধব নেতৃত্ব। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি সবসময় সোচ্চার। শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করা, তাদের পাশে থাকা এবং তাদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি মনে করেন, “শ্রমিকদের সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করলেই একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে উঠবে।” নারী ও সমাজ উন্নয়নে অবদান। মহিলাদের অধিকার, বিধবা ও অসহায় নারীদের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতেও তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। নারীদের সামাজিক, পারিবারিক ও আইনি সমস্যার সমাধানে তিনি সহানুভূতিশীল ভূমিকা পালন করেন। বিধবা নারীদের সহায়তা। অসহায় মহিলাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা। সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা। এসব কার্যক্রম তাঁর নেতৃত্বকে আরও মানবিক ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। শান্তি ও উন্নয়নের প্রত্যয়ে অঙ্গীকার। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সংগঠনকে সুসংগঠিত করা এবং গণমানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। মিটিং, মিছিল ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করছেন।
মহান মে দিবসে মোসাম্মৎ লাইলী বেগম বলেন, “আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চাই। গরিব, শ্রমিক ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারবো।” মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক, মানবিক সমাজ গড়ে উঠুক এই প্রত্যাশায়।















