ত্যাগের আগুনে গড়া এক নির্ভীক নেতা মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও উন্নত সমাজ গড়ার অদম্য অঙ্গীকারে এগিয়ে চলা মানুষের শেষ ভরসা এক মহাকাব্যের নায়ক: মোঃ কামাল উদ্দিনের জীবন্ত ইতিহাস
“জনতার হৃদয়ে জাগ্রত এক ইতিহাস মোঃ কামাল উদ্দিন; সাহস, সততা ও মানবতার প্রতীক”
- আপডেট সময় : ০১:৪৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
- / ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক-গাছা থানা, বিএনপি।
গাজীপুরের আকাশে যখনই নেতৃত্বের আলো খোঁজা হয়, তখনই উচ্চারিত হয় এক নাম। মোঃ কামাল উদ্দিন। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি এক চলমান ইতিহাস, এক জীবন্ত কিংবদন্তি, এক সংগ্রামী চেতনার প্রতীক। যার প্রতিটি পদক্ষেপ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। বংশগৌরব ও মানবতার উত্তরাধিকার। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতার শিকড় গভীর মানবিকতায় প্রোথিত। পিতা মরহুম হাজী আবেদ আলী, মাতা মরহুম আইশা খাতুন এবং দাদা আমজাদ হোসেন। যিনি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান। এই পরিবার ছিল সমাজসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাদের বাড়ি ছিল আশ্রয়হীনদের আশ্রয়, দরিদ্রের ভরসা, ন্যায়বিচারের শেষ ঠিকানা। কেউ খালি হাতে ফিরেনি। এই ঐতিহ্য আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন কামাল উদ্দিন।
মানুষের নেতা, মানুষের আপনজন। ছয় ভাই ও তিন বোনের বড় পরিবার থেকে উঠে আসা এই মানুষটি ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মজীবনের পাশাপাশি নিজেকে নিবেদন করেছেন সমাজসেবায়। তিনি নেতা নন, তিনি মানুষের ঘরের একজন। ৩৮নং ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষ তার কাছে পরিচিত, প্রতিটি কষ্ট তার কাছে স্পষ্ট।
মাদকবিরোধী যুদ্ধের অগ্রসেনা। সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাধি। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি এক আপোষহীন যোদ্ধা। তার দৃঢ় ঘোষণা “মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপোষ নেই। নিজের লোক হলেও না।” এই অটল অবস্থান থেকেই তিনি গড়ে তুলেছেন জিরো টলারেন্স নীতি। প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, সভা-সমাবেশ, সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি গড়ে তুলছেন এক নিরাপদ, সুস্থ সমাজ।
ত্যাগের অগ্নিপথে এক নির্ভীক সৈনিক। রাজনৈতিক জীবনে তিনি শুধু সংগ্রামই দেখেছেন। মামলা, নির্যাতন, কারাবরণ, সবই এসেছে বারবার। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থেকেছেন, জেল খেটেছেন, কিন্তু আদর্শ থেকে একচুলও সরে যাননি। বরং অন্ধকারের মাঝেই তিনি হয়ে উঠেছেন আলো। পুলিশ ও প্রতিকূলতা এড়িয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, গোপনে সাহায্য করেছেন অসহায়দের।
অভিভাবকসুলভ নেতৃত্ব। তার নেতৃত্ব শুধু মঞ্চে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ৩৮নং ওয়ার্ডের প্রতিটি নেতাকর্মীর খোঁজ রাখেন, অসুস্থ হলে পাশে দাঁড়ান, কারাগারে গেলে মুক্তির জন্য ছুটে যান। তিনি নেতা নন। তিনি একজন অভিভাবক, একজন নির্ভরতার নাম।
শিক্ষাই ভবিষ্যতের আলো। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে তার নিরলস প্রচেষ্টা প্রমাণ করে। তিনি শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবেন। তার বিশ্বাস “আমি না পারলেও, আমার সন্তানেরা যেন সমাজের হাল ধরতে পারে, শিক্ষাই সেই পথ।”
রাত জাগা এক জননেতার গল্প। যখন শহর ঘুমিয়ে পড়ে, তখনও জেগে থাকেন কামাল উদ্দিন। গভীর রাতে তিনি ঘুরে বেড়ান নিজের এলাকায়,
খোঁজ নেন কে না খেয়ে আছে, কার ঘরে অভাব, কার চোখে অশ্রু। এই দায়বদ্ধতা, এই মানবিকতা। তাকেই করেছে ব্যতিক্রম, অনন্য।
ভোটারদের প্রতি শেষ আহ্বান: ইতিহাস গড়ার সময় এখনই। একটি ভোট শুধু একটি চিহ্ন নয়। এটি একটি ভবিষ্যৎ, একটি নিরাপদ সমাজ, একটি মাদকমুক্ত প্রজন্মের প্রতিশ্রুতি। মোঃ কামাল উদ্দিন মানে ত্যাগের রাজনীতি। মানবতার সেবা। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। প্রতিটি মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার।
আপনার একটি ভোট। গড়ে তুলতে পারে একটি নিরাপদ, উন্নত ও মানবিক সমাজ মোঃ কামাল উদ্দিন। একটি নাম নয়, একটি আন্দোলন, একটি ইতিহাস, একটি ভবিষ্যৎ।


















