কৃষক, গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে গড়ে তুলছেন মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত
মানবতার বাতিঘর মোঃ আজমত উল্লাহ খান
- আপডেট সময় : ০৭:৫৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / ৫৭১ বার পড়া হয়েছে

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। বছরের পর বছর কৃষক, শ্রমজীবী ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক নেতৃত্বের উদাহরণ স্থাপন করেছেন গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আজমত উল্লাহ খান।
ফয়সাল আহম্মেদ ও কৃষক দলের মোঃ আজমত উল্লাহ খান যুগ্ম সম্পাদকের সাথে ঈদ উপহার দিচ্ছেন। -সংবাদ আলোচনা।
মানবতার আলো ছড়ানো এক নেতৃত্ব। সমাজে অনেকেই রাজনীতি করেন ক্ষমতা বা পদ-পদবীর জন্য। আবার কিছু মানুষ আছেন যারা রাজনীতিকে মানুষের সেবা করার একটি মহৎ মাধ্যম হিসেবে দেখেন। গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আজমত উল্লাহ খান সেই বিরল নেতৃত্বদের একজন, যিনি নীরবে ও নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে প্রায় চার শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ খাদ্যসামগ্রী প্যাকেজ বিতরণ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার রাত ৮টায় আয়োজিত এই মানবিক উদ্যোগে সেমাই, পোলাওর চাল, চিনি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী গরিব মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এক আয়োজন। এই মানবিক কার্যক্রমে এলাকার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনেকেই জানান, প্রতি বছরই ঈদকে সামনে রেখে মোঃ আজমত উল্লাহ খান দরিদ্র মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ নিয়ে থাকেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ বারেক সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোসাম্মৎ কামরুন নাহার এবং মোহাম্মদ কায়সার আলম। অনুষ্ঠানটি দক্ষতার সাথে সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ ফয়সাল আহাম্মেদ। এছাড়াও ঈদ সামগ্রী ক্রয় ও বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় অনেকেই সার্বিক সহযোগিতা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ৪০০টি অসহায় পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়েছে।
কৃষকের বন্ধু আজমত উল্লাহ খান। শুধু ঈদের সময় নয়, বছরের অন্যান্য সময়েও কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় মোঃ আজমত উল্লাহ খানকে। তিনি নিয়মিত কৃষকদের মাঝে, ধানের চারা, ধানের বীজ, কৃষি সহায়তা, বিভিন্ন কৃষি উপকরণ। এছাড়াও গরীব কৃষকদের জন্য গরু ছাগল কিনে দেন। যাবতীয় যা যা দরকার সবই বিতরণ করে থাকেন।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, অনেক সময় দরিদ্র কৃষকেরা চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ বা চারা সংগ্রহ করতে পারেন না। সেই কঠিন সময়েও তিনি এগিয়ে এসে তাদের সহায়তা করেন।
কোরবানির ঈদেও থাকে মানবিক উদ্যোগ। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, ঈদুল আজহার সময়ও তার মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। কোরবানির ঈদে তিনি নিজ উদ্যোগে গরু কোরবানি দিয়ে সেই মাংস এলাকার গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করেন। এভাবে বছরের পর বছর ধরে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এলাকার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন।
মানুষের মুখেই তার প্রশংসা। ঈদ সামগ্রী পাওয়া অনেক পরিবার বলেন, “প্রতিবছরই আমাদের পাশে দাঁড়ান আজমত উল্লাহ খান। আমরা তার জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ রাখেন এবং মানুষের সেবা করার তৌফিক দেন।” স্থানীয়রা আরও বলেন, আজমত উল্লাহ খান শুধু রাজনৈতিক নেতা নন। তিনি একজন মানবিক মানুষ, যিনি মানুষের কষ্ট দেখলে নিজেও ব্যথিত হন।
নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা। গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তিনি দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের সেবা করার সুযোগই তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি জানান, দেশের মানুষের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার যে স্বপ্ন ও কর্মধারা তুলে ধরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তা তাকে সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করে। এই অনুপ্রেরণা থেকেই তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সমাজের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। মানবিক রাজনীতির এক উদাহরণ। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ থেকেই মোঃ আজমত উল্লাহ খান বছরের পর বছর ধরে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ব পালনের এই ধারাবাহিকতা তাকে এলাকায় একজন মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে।
স্থানীয়দের মতে, এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করে। মানুষের দুঃখে কাঁদতে পারা, অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজকে সুন্দর করার স্বপ্ন। এই মূল্যবোধগুলোই একজন প্রকৃত নেতাকে আলাদা করে তুলে ধরে। গাজীপুরের মানুষের কাছে মোঃ আজমত উল্লাহ খান এখন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি হয়ে উঠেছেন মানবতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক।


















