আমজাদ আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাতা ডা. নাজিম উদ্দিন ও তাঁর কন্যা নাজমুন আহমেদ শাপলার যৌথ জন্মদিন উদযাপন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, মানবিকতা ও জাতীয় চেতনা জাগ্রত করার আহ্বান
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. নাজিম উদ্দিন আহমেদের ৮৪তম জন্মদিনে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা-জনপ্রতিনিধি-শিক্ষক-সাংবাদিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণে কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৮৬৮ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গীতে আমজাদ আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের উদ্যোগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা, সমাজসেবক ও ট্রাস্টি আলহাজ্ব ডা. নাজিম উদ্দিন আহমেদের ৮৪তম জন্মদিন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে তাঁর মেয়ে সরকার নাজমুন আহমেদ শাপলাকে সঙ্গে নিয়ে একসাথে কেক কাটা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মিয়া।

মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিশেষ আয়োজন, অনুষ্ঠানে সারা দেশের জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে গাজীপুর অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়। শুভেচ্ছা ও সম্মান জানাতে তাদের ফুলের তোড়া, ডালি ও স্মারক প্রদান করা হয়। ডা. নাজিম উদ্দিন মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে স্বাধীন করেছেন, তাঁদের প্রতি সম্মানই জাতির শক্তি।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রাখি সরকার, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, খাদিজা আক্তার বিনা, সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি, মহিলা দলের দপ্তর সম্পাদক হালিমা আক্তার তারা, স্কুল–কলেজের সকল শিক্ষক–শিক্ষিকা, টঙ্গী, গাজীপুরের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অসংখ্য সাংবাদিক, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া প্রতিনিধিগণ, মোহাম্মদ নাদিম হোসেন খান, মহাসচিব, বাংলাদেশ তৃণমূল জনতা পার্টি, এম হাসান মুন, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কমিটি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী মোজাম্মেল হক, পরিবার, পরিজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার নাজিম উদ্দিন মিস্ত্রি, জান্নাত সুলতানা, সরকার জাকারিয়া আহমেদ প্রমুখ।
কেক কাটার পর বিশাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাচ, গানের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
অতিথিদের জন্য বিশেষ আপ্যায়ন হিসেবে পরিবেশন করা হয়, গরুর কাচ্চি, খাসির কাচ্চি, বিশেষ মেনু ও বিভিন্ন স্থানীয় খাবার।
বক্তারা বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য। সহানুভূতি, সহযোগিতা ও মানবিকতা ছাড়া সমাজ এগোতে পারে না। বৃদ্ধ, প্রবীণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের যত্ন নেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তারা দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও ডা. নাজিম উদ্দিনের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। ডা. নাজিম উদ্দিনের বক্তব্য তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ একবারই হয়েছে, দেশ আর কখনো অরাজকতার দিকে যাবে না। তরুণ প্রজন্মকে মানবিকতা, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পথে থাকতে হবে।”
তিনি শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ, নিয়মিত কোচিং-পরীক্ষার ব্যবস্থা ও মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন।


















