ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য: মানবতার আলোকবর্তিকা আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন মানবতার আলোকবর্তিকা, সেবার প্রতীক এক প্রিয় মানুষ ঐতিহ্যের গর্বে, নতুন দিনের প্রত্যয়ে—শুভ পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ রাজধানীর ৭টি ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে! আন্দোলন শুরু, সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে: জামায়াত আমির তৃণমূলের আস্থার প্রতীক গাজী মহাসীন : পহেলা বৈশাখে ঐক্য, মানবিকতা ও উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার রূপকার স্বপ্ন এখন বাস্তব: প্রতিশ্রুতির পথে নতুন যাত্রা

বাংলাদেশ দরিদ্র নয়, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ: উপদেষ্টা শারমীন

প্রতিনিধির নামঃ মোঃ ইউনুস আলি
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / ৮১৮ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ শনিবার ‘পিএফএস পলিউশিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন,
“বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ নয়, বাংলাদেশ একটা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। যেই দেশটা হাতে পেয়েছি। ফেরেশতা এলেও সেটা কয়েক মাসে ঠিক করতে পারবে না। আমাদের অগাধ সম্পদ আছে। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন,
“জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গু এবং ১৫০০ নিহতের ঘটনাকে কোনোভাবেই মুছে দেওয়া যাবে না। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল তাদের সংস্কার করুক। এরপর আমাদের পাশে এসে দাঁড়াক। রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কারমুখী হতে হবে। আমি এই আরজিটা রাখছি। আপনারা রাজনৈতিক দলগুলো, আপনাদের সুচিন্তিত ভাবনা আনুন। আমরা কাজ করব একসঙ্গে।”
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা আরও যোগ করে বলেন,
“যারা এক্সট্রা ৫ টাকা শ্রমিককে দিতে চায় না। তারা কীভাবে নদী রক্ষা করবে। আমাদের দেশে বড় জায়গা থেকে ক্ষুদ্র জায়গা, যেখানেই যাই, একটা ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক ও রাজনীতির চর্চা দেখি। এই নীতি লালন করে যাচ্ছি ৫৪ বছর ধরে। আমাদের সময় সীমিত। আপনারা যারা পরিবেশ আন্দোলনকারী আছেন, দ্রুত কাজ করুন। এই সরকারের দরজা সবসময় খোলা। পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে মানুষের সুরক্ষা হয় না। আমরা খুবই পলিউটেড অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আপনারা (রাজনৈতিক দল) হাত না মেলালে আমরা সামাল দিতে পারব না। আমরা ভালনারেবল জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। চলুন সবাই মিলে নদী রক্ষা করি। পিএফএস দূষণ থেকে আমাদের নদী ও মানুষকে বাঁচাই।”
আমাদের দেশে এখনো বিভিন্ন জায়গায় পানিতে আর্সেনিক পাওয়া যাচ্ছে। কেন আমরা এখনো ভূপৃষ্ঠের পানি খেতে পারছি না। এই সুমিষ্ট পানিকে আমরা শোধন করতে পারিনি। এই পানি রক্ষা করতে পারিনি। অথচ এটা আমাদের অনেক বড় সম্পদ। যে পানি আমরা পান করব, সেটা একটা ইন্ডাস্ট্রি এসে ধ্বংস করে দেবে, আর কমিউনিটির লোক কিছুই বলতে পারছি না বলে আফসোস করেন তিনি।
সঠিক নীতিমালা তৈরির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের এই সময়টা এখন মোক্ষম সময় বলে মনে করেন শারমীন মুরশিদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ দরিদ্র নয়, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ: উপদেষ্টা শারমীন

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ শনিবার ‘পিএফএস পলিউশিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন,
“বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ নয়, বাংলাদেশ একটা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। যেই দেশটা হাতে পেয়েছি। ফেরেশতা এলেও সেটা কয়েক মাসে ঠিক করতে পারবে না। আমাদের অগাধ সম্পদ আছে। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।”
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন,
“জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গু এবং ১৫০০ নিহতের ঘটনাকে কোনোভাবেই মুছে দেওয়া যাবে না। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল তাদের সংস্কার করুক। এরপর আমাদের পাশে এসে দাঁড়াক। রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কারমুখী হতে হবে। আমি এই আরজিটা রাখছি। আপনারা রাজনৈতিক দলগুলো, আপনাদের সুচিন্তিত ভাবনা আনুন। আমরা কাজ করব একসঙ্গে।”
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা আরও যোগ করে বলেন,
“যারা এক্সট্রা ৫ টাকা শ্রমিককে দিতে চায় না। তারা কীভাবে নদী রক্ষা করবে। আমাদের দেশে বড় জায়গা থেকে ক্ষুদ্র জায়গা, যেখানেই যাই, একটা ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক ও রাজনীতির চর্চা দেখি। এই নীতি লালন করে যাচ্ছি ৫৪ বছর ধরে। আমাদের সময় সীমিত। আপনারা যারা পরিবেশ আন্দোলনকারী আছেন, দ্রুত কাজ করুন। এই সরকারের দরজা সবসময় খোলা। পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে মানুষের সুরক্ষা হয় না। আমরা খুবই পলিউটেড অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আপনারা (রাজনৈতিক দল) হাত না মেলালে আমরা সামাল দিতে পারব না। আমরা ভালনারেবল জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। চলুন সবাই মিলে নদী রক্ষা করি। পিএফএস দূষণ থেকে আমাদের নদী ও মানুষকে বাঁচাই।”
আমাদের দেশে এখনো বিভিন্ন জায়গায় পানিতে আর্সেনিক পাওয়া যাচ্ছে। কেন আমরা এখনো ভূপৃষ্ঠের পানি খেতে পারছি না। এই সুমিষ্ট পানিকে আমরা শোধন করতে পারিনি। এই পানি রক্ষা করতে পারিনি। অথচ এটা আমাদের অনেক বড় সম্পদ। যে পানি আমরা পান করব, সেটা একটা ইন্ডাস্ট্রি এসে ধ্বংস করে দেবে, আর কমিউনিটির লোক কিছুই বলতে পারছি না বলে আফসোস করেন তিনি।
সঠিক নীতিমালা তৈরির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের এই সময়টা এখন মোক্ষম সময় বলে মনে করেন শারমীন মুরশিদ।