ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার বন্ধনে শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস মোঃ জসিম উদ্দিন খান

শিক্ষক যখন শুধু পাঠদান করেন না, ভবিষ্যৎ গড়ে দেন

md younus
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৭৮ বার পড়া হয়েছে




একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু ইট-পাথরের একটি ভবন নয়; এটি স্বপ্ন দেখার জায়গা, নিজেকে আবিষ্কারের জায়গা এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলোর একজন শিক্ষক। তিনি শুধু বইয়ের পাঠ শেখান না, শিক্ষার্থীর চিন্তা, আচরণ, মূল্যবোধ ও স্বপ্নকে সঠিক পথে এগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই ভাবনাকেই সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষ হিসেবে সুন্দর হয়ে ওঠার শিক্ষা দিয়ে চলেছেন মোঃ জসিম উদ্দিন খান (এম.বি.এস), প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল, লেসন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। তাঁর কাছে শিক্ষা মানে শুধু পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর নয়; শিক্ষা মানে নিজের ভেতরের ভালো গুণগুলোকে বিকশিত করা এবং সেই অর্জনকে জীবনের কাজে প্রয়োগ করা।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা অত্যন্ত সহজ, কিন্তু গভীর অর্থবহ “ভালো ফলাফল অর্জন করবে, কিন্তু তার চেয়েও বড় অর্জন হবে একজন ভালো মানুষ হওয়া।” তিনি শিক্ষার্থীদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ হওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁর দৃষ্টিতে, সহপাঠী কখনো শুধু প্রতিযোগী নয়; বরং শিক্ষাজীবনের একজন সহযাত্রী। তাই একজনের সাফল্যে অন্যজন আনন্দিত হবে, দুর্বল সহপাঠীকে সহযোগিতা করবে এবং সবাই মিলে সুন্দর একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবে, এটাই হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিকতা।
তিনি প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মনে করিয়ে দেন, সময়কে সম্মান করতে হবে, শিক্ষক ও অভিভাবকের কথা শুনতে হবে, নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে, অন্যকে সম্মান করতে হবে এবং নিজের ভুল স্বীকার করে তা সংশোধন করার সাহস রাখতে হবে। কারণ মানুষের প্রকৃত গুণ প্রকাশ পায় তার আচরণে, ব্যবহারে ও দায়িত্ববোধে। বড় স্বপ্নের কথাও তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর বিশ্বাস, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন অধ্যবসায়, ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস। আজ যে শিক্ষার্থী মনোযোগ দিয়ে একটি অধ্যায় পড়ছে, একটি ভালো অভ্যাস তৈরি করছে কিংবা একজন সহপাঠীকে সহযোগিতা করছে, ভবিষ্যতে সেই ছোট ছোট কাজই তার বড় অর্জনের ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
লেসন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত টঙ্গী-ময়মনসিংহ রোডে এশিয়া পাম্পের পশ্চিম দিকে, টঙ্গী পশ্চিম থানার পশ্চিম পাশে, আউচপাড়া খাঁপাড়া রোড (পোস্ট কোড-১৭১১), ওয়ার্ড নং-৫৪ এলাকায়। এই শিক্ষাঙ্গনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক বন্ধন ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের যে প্রত্যয়, তার অন্যতম চালিকাশক্তি প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল মোঃ জসিম উদ্দিন খানের শিক্ষাদর্শ। একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো তখনই, যখন তাঁর কোনো শিক্ষার্থী একদিন বড় হয়ে ফিরে এসে বলে “স্যার, আপনার একটি কথা আমার জীবন বদলে দিয়েছে।” সেই জায়গা থেকেই একজন শিক্ষক হয়ে ওঠেন একজন পথপ্রদর্শক।
মোঃ জসিম উদ্দিন খানের শিক্ষার্থীদের প্রতি উপদেশ যেন সেই পথ দেখানোরই প্রয়াস, শিক্ষাকে ভালোবাসো, স্বপ্নকে বড় করো, চরিত্রকে সুন্দর করো, মানুষকে সম্মান করো এবং নিজের যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সমাজের জন্য কিছু করার মানসিকতা তৈরি করো। কারণ একটি ভালো শিক্ষা শুধু একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বদলায় না; একজন আলোকিত শিক্ষার্থী একদিন একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে পারে। আর সেই আলোর পথ দেখানোর মানুষটিই, শিক্ষক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিকতার বন্ধনে শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস মোঃ জসিম উদ্দিন খান

শিক্ষক যখন শুধু পাঠদান করেন না, ভবিষ্যৎ গড়ে দেন

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু ইট-পাথরের একটি ভবন নয়; এটি স্বপ্ন দেখার জায়গা, নিজেকে আবিষ্কারের জায়গা এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষগুলোর একজন শিক্ষক। তিনি শুধু বইয়ের পাঠ শেখান না, শিক্ষার্থীর চিন্তা, আচরণ, মূল্যবোধ ও স্বপ্নকে সঠিক পথে এগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই ভাবনাকেই সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি মানুষ হিসেবে সুন্দর হয়ে ওঠার শিক্ষা দিয়ে চলেছেন মোঃ জসিম উদ্দিন খান (এম.বি.এস), প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল, লেসন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। তাঁর কাছে শিক্ষা মানে শুধু পরীক্ষার খাতায় ভালো নম্বর নয়; শিক্ষা মানে নিজের ভেতরের ভালো গুণগুলোকে বিকশিত করা এবং সেই অর্জনকে জীবনের কাজে প্রয়োগ করা।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা অত্যন্ত সহজ, কিন্তু গভীর অর্থবহ “ভালো ফলাফল অর্জন করবে, কিন্তু তার চেয়েও বড় অর্জন হবে একজন ভালো মানুষ হওয়া।” তিনি শিক্ষার্থীদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ হওয়ার পরামর্শ দেন। তাঁর দৃষ্টিতে, সহপাঠী কখনো শুধু প্রতিযোগী নয়; বরং শিক্ষাজীবনের একজন সহযাত্রী। তাই একজনের সাফল্যে অন্যজন আনন্দিত হবে, দুর্বল সহপাঠীকে সহযোগিতা করবে এবং সবাই মিলে সুন্দর একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করবে, এটাই হওয়া উচিত শিক্ষার্থীদের মানসিকতা।
তিনি প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মনে করিয়ে দেন, সময়কে সম্মান করতে হবে, শিক্ষক ও অভিভাবকের কথা শুনতে হবে, নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে, অন্যকে সম্মান করতে হবে এবং নিজের ভুল স্বীকার করে তা সংশোধন করার সাহস রাখতে হবে। কারণ মানুষের প্রকৃত গুণ প্রকাশ পায় তার আচরণে, ব্যবহারে ও দায়িত্ববোধে। বড় স্বপ্নের কথাও তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। তাঁর বিশ্বাস, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন অধ্যবসায়, ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস। আজ যে শিক্ষার্থী মনোযোগ দিয়ে একটি অধ্যায় পড়ছে, একটি ভালো অভ্যাস তৈরি করছে কিংবা একজন সহপাঠীকে সহযোগিতা করছে, ভবিষ্যতে সেই ছোট ছোট কাজই তার বড় অর্জনের ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
লেসন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ অবস্থিত টঙ্গী-ময়মনসিংহ রোডে এশিয়া পাম্পের পশ্চিম দিকে, টঙ্গী পশ্চিম থানার পশ্চিম পাশে, আউচপাড়া খাঁপাড়া রোড (পোস্ট কোড-১৭১১), ওয়ার্ড নং-৫৪ এলাকায়। এই শিক্ষাঙ্গনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক বন্ধন ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের যে প্রত্যয়, তার অন্যতম চালিকাশক্তি প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল মোঃ জসিম উদ্দিন খানের শিক্ষাদর্শ। একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো তখনই, যখন তাঁর কোনো শিক্ষার্থী একদিন বড় হয়ে ফিরে এসে বলে “স্যার, আপনার একটি কথা আমার জীবন বদলে দিয়েছে।” সেই জায়গা থেকেই একজন শিক্ষক হয়ে ওঠেন একজন পথপ্রদর্শক।
মোঃ জসিম উদ্দিন খানের শিক্ষার্থীদের প্রতি উপদেশ যেন সেই পথ দেখানোরই প্রয়াস, শিক্ষাকে ভালোবাসো, স্বপ্নকে বড় করো, চরিত্রকে সুন্দর করো, মানুষকে সম্মান করো এবং নিজের যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সমাজের জন্য কিছু করার মানসিকতা তৈরি করো। কারণ একটি ভালো শিক্ষা শুধু একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বদলায় না; একজন আলোকিত শিক্ষার্থী একদিন একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং একটি প্রজন্মকে আলোকিত করতে পারে। আর সেই আলোর পথ দেখানোর মানুষটিই, শিক্ষক।