ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য: মানবতার আলোকবর্তিকা আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন মানবতার আলোকবর্তিকা, সেবার প্রতীক এক প্রিয় মানুষ ঐতিহ্যের গর্বে, নতুন দিনের প্রত্যয়ে—শুভ পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ রাজধানীর ৭টি ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে! আন্দোলন শুরু, সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে: জামায়াত আমির তৃণমূলের আস্থার প্রতীক গাজী মহাসীন : পহেলা বৈশাখে ঐক্য, মানবিকতা ও উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার রূপকার স্বপ্ন এখন বাস্তব: প্রতিশ্রুতির পথে নতুন যাত্রা

পান্তা-ইলিশের সৌরভে টঙ্গীতে রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত

এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৫০২ বার পড়া হয়েছে

১লা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ প্রভাষক বসির উদ্দিনের বাসভবন, টঙ্গীতে টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন উদ্যোগে “এসো হে বৈশাখ, এসো হে এসো…” এই চিরন্তন আহ্বান যেন বাস্তব রূপ পেল টঙ্গীর মাটিতে। বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রহরে ঐতিহ্যের প্রতীক পান্তা-ইলিশ আর হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা ভালোবাসা দিয়ে এক মহিমান্বিত আয়োজনের জন্ম দিলেন প্রভাষক বসির উদ্দিন। সকালের সূচনা: জনসমাগমে প্রাণের উচ্ছ্বাস। ভোরের আলো ফুটতেই সাট্টা থেকে কলেজ গেট হয়ে গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কর্মীদের ঢল নামে। মিছিল নয়, যেন ভালোবাসার পদচারণা হাঁটাচলা, রাউন্ড, একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এশিয়া পাম্পের পশ্চিম পাশে অবস্থান নিয়ে নেতা-কর্মীরা অপেক্ষায়, এক নজর দেখবেন প্রিয় নেতা, তাদের অনুপ্রেরণা।

সবাইকে পান্তা ভাত খাওয়ানোর পরে কোরআনের হাফেজদেরকে নিয়ে মিলাদে শরীক হন প্রভাষক বসির উদ্দিন। এই মিলাদে দেশের প্রধান মন্ত্রীর ও সবার জন্য দীর্ঘায়ু কামনা করেন। -সংবাদ আলোচনা।

নেতৃত্বের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষে যখন এ পথ অতিক্রম করেন, তখন টঙ্গীর মাটিতে সৃষ্টি হয় আবেগঘন মুহূর্ত। হাত নাড়িয়ে অভিবাদন, সালাম, ভালোবাসার ঢেউ এক অনন্য দৃশ্য। নেতাকে দেখার আনন্দ যেন কর্মীদের চোখে মুখে ইতিহাস হয়ে ফুটে ওঠে।
ভালোবাসার ভোজ: পান্তা-ইলিশে মানবিকতার স্বাদ। প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানানোর পর শুরু হয় অন্য এক মহোৎসব মানবিকতার ভোজ। প্রভাষক বসির উদ্দিন তাঁর বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান। টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, পুলিশ প্রশাসনের সদস্যবৃন্দ, খাবারের আয়োজন ছিল এক কথায় ঐতিহ্যের উৎসব, পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ ভাজা, নিরামিষ তরকারি, সুটকি ভর্তা (২ প্রকার), আলু ভর্তা, সবজি ওস্তা/কড়লা ভাজি, গরুর মাংস ভুনা, ডিম ভাজি প্রতিটি পদে ছিল আন্তরিকতা, প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল ভালোবাসা।
বিশেষ মুহূর্ত: এমপি’র আগমন। এই আয়োজনকে আরও মহিমান্বিত করে তোলেন গাজীপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। তাঁর আগমনে পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন ও উচ্ছ্বসিত। প্রভাষক বসির উদ্দিনের বক্তব্য “আমি দলের একজন সাধারণ কর্মী। দলের দায়িত্বই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। মানুষের পাশে থাকা, কর্মীদের ভালোবাসা এটাই আমার রাজনীতি।”
“গাজীপুর ও টঙ্গীতে আমরা প্রতিবছর এমন ঐক্যের আয়োজন করবো। সবাই একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া, মিলেমিশে কাজ এই সংস্কৃতি বজায় রাখতে হবে।” মানবিকতার ছোঁয়া: কোরানের পাখিদের আগমন, কিছুক্ষণ পর মসজিদ-মাদ্রাসার ছাত্ররা এসে যোগ দেয় এই আয়োজনে। “কোরানের পাখি”দের দেখে সবার মন ভরে যায় ভালোবাসায়। তাদেরকেও স্নেহভরে খাওয়ানো হয় এ যেন দান নয়, বরং হৃদয়ের প্রশান্তি।
একজন মানুষের গল্প: বসির উদ্দিন মানবিকতার প্রতীক। প্রভাষক বসির উদ্দিন শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিকতার কারিগর। তাঁর আয়োজনে নিয়মিত থাকে, ১৬ ডিসেম্বর। ২৬ মার্চ। পহেলা বৈশাখ। রমজানের ত্রিশ দিনের ইফতার। ঈদ পুনর্মিলনী। কখনো তেহারি, কখনো খিচুড়ি, কখনো মিষ্টি কিন্তু সবসময়ই থাকে মানুষকে ভালোবাসার অদম্য ইচ্ছা।
তাঁর দর্শন: “মানুষকে খাওয়ালে আমি নিজেই তৃপ্ত হই। আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, যেন আমি অন্যকে দিতে পারি।” ইতিহাসে গর্জে ওঠা এক মানবিক মহাকাব্য
এই আয়োজন শুধু একটি নববর্ষ উদযাপন নয় এটি ছিল ঐতিহ্য, রাজনীতি ও মানবিকতার এক অপূর্ব সমন্বয়। টঙ্গীর এই দিনটি প্রমাণ করে, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়। রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। রাজনীতি মানে একসাথে বসে ভাত খাওয়া। পান্তা-ইলিশের সেই দিনটি হয়ে থাকুক ইতিহাসের পাতায়। একটি গর্জন, একটি মহাকাব্য, একটি ভালোবাসার অনন্ত প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পান্তা-ইলিশের সৌরভে টঙ্গীতে রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত

এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

১লা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ প্রভাষক বসির উদ্দিনের বাসভবন, টঙ্গীতে টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন উদ্যোগে “এসো হে বৈশাখ, এসো হে এসো…” এই চিরন্তন আহ্বান যেন বাস্তব রূপ পেল টঙ্গীর মাটিতে। বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রহরে ঐতিহ্যের প্রতীক পান্তা-ইলিশ আর হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা ভালোবাসা দিয়ে এক মহিমান্বিত আয়োজনের জন্ম দিলেন প্রভাষক বসির উদ্দিন। সকালের সূচনা: জনসমাগমে প্রাণের উচ্ছ্বাস। ভোরের আলো ফুটতেই সাট্টা থেকে কলেজ গেট হয়ে গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কর্মীদের ঢল নামে। মিছিল নয়, যেন ভালোবাসার পদচারণা হাঁটাচলা, রাউন্ড, একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এশিয়া পাম্পের পশ্চিম পাশে অবস্থান নিয়ে নেতা-কর্মীরা অপেক্ষায়, এক নজর দেখবেন প্রিয় নেতা, তাদের অনুপ্রেরণা।

সবাইকে পান্তা ভাত খাওয়ানোর পরে কোরআনের হাফেজদেরকে নিয়ে মিলাদে শরীক হন প্রভাষক বসির উদ্দিন। এই মিলাদে দেশের প্রধান মন্ত্রীর ও সবার জন্য দীর্ঘায়ু কামনা করেন। -সংবাদ আলোচনা।

নেতৃত্বের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষে যখন এ পথ অতিক্রম করেন, তখন টঙ্গীর মাটিতে সৃষ্টি হয় আবেগঘন মুহূর্ত। হাত নাড়িয়ে অভিবাদন, সালাম, ভালোবাসার ঢেউ এক অনন্য দৃশ্য। নেতাকে দেখার আনন্দ যেন কর্মীদের চোখে মুখে ইতিহাস হয়ে ফুটে ওঠে।
ভালোবাসার ভোজ: পান্তা-ইলিশে মানবিকতার স্বাদ। প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানানোর পর শুরু হয় অন্য এক মহোৎসব মানবিকতার ভোজ। প্রভাষক বসির উদ্দিন তাঁর বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান। টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, পুলিশ প্রশাসনের সদস্যবৃন্দ, খাবারের আয়োজন ছিল এক কথায় ঐতিহ্যের উৎসব, পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ ভাজা, নিরামিষ তরকারি, সুটকি ভর্তা (২ প্রকার), আলু ভর্তা, সবজি ওস্তা/কড়লা ভাজি, গরুর মাংস ভুনা, ডিম ভাজি প্রতিটি পদে ছিল আন্তরিকতা, প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল ভালোবাসা।
বিশেষ মুহূর্ত: এমপি’র আগমন। এই আয়োজনকে আরও মহিমান্বিত করে তোলেন গাজীপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। তাঁর আগমনে পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন ও উচ্ছ্বসিত। প্রভাষক বসির উদ্দিনের বক্তব্য “আমি দলের একজন সাধারণ কর্মী। দলের দায়িত্বই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। মানুষের পাশে থাকা, কর্মীদের ভালোবাসা এটাই আমার রাজনীতি।”
“গাজীপুর ও টঙ্গীতে আমরা প্রতিবছর এমন ঐক্যের আয়োজন করবো। সবাই একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া, মিলেমিশে কাজ এই সংস্কৃতি বজায় রাখতে হবে।” মানবিকতার ছোঁয়া: কোরানের পাখিদের আগমন, কিছুক্ষণ পর মসজিদ-মাদ্রাসার ছাত্ররা এসে যোগ দেয় এই আয়োজনে। “কোরানের পাখি”দের দেখে সবার মন ভরে যায় ভালোবাসায়। তাদেরকেও স্নেহভরে খাওয়ানো হয় এ যেন দান নয়, বরং হৃদয়ের প্রশান্তি।
একজন মানুষের গল্প: বসির উদ্দিন মানবিকতার প্রতীক। প্রভাষক বসির উদ্দিন শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিকতার কারিগর। তাঁর আয়োজনে নিয়মিত থাকে, ১৬ ডিসেম্বর। ২৬ মার্চ। পহেলা বৈশাখ। রমজানের ত্রিশ দিনের ইফতার। ঈদ পুনর্মিলনী। কখনো তেহারি, কখনো খিচুড়ি, কখনো মিষ্টি কিন্তু সবসময়ই থাকে মানুষকে ভালোবাসার অদম্য ইচ্ছা।
তাঁর দর্শন: “মানুষকে খাওয়ালে আমি নিজেই তৃপ্ত হই। আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, যেন আমি অন্যকে দিতে পারি।” ইতিহাসে গর্জে ওঠা এক মানবিক মহাকাব্য
এই আয়োজন শুধু একটি নববর্ষ উদযাপন নয় এটি ছিল ঐতিহ্য, রাজনীতি ও মানবিকতার এক অপূর্ব সমন্বয়। টঙ্গীর এই দিনটি প্রমাণ করে, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়। রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। রাজনীতি মানে একসাথে বসে ভাত খাওয়া। পান্তা-ইলিশের সেই দিনটি হয়ে থাকুক ইতিহাসের পাতায়। একটি গর্জন, একটি মহাকাব্য, একটি ভালোবাসার অনন্ত প্রতিচ্ছবি।