টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানালেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন; তারেক রহমান-এর আগমনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, নববর্ষে গণভোজ ও ঐক্যের বার্তা
নববর্ষে টঙ্গীতে জনসমাগমের ঢল: তারেক রহমানকে বরণে ঐক্যের ডাক—পান্তা-ইলিশে গণউৎসব
- আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
- / ৫১৩ বার পড়া হয়েছে

নববর্ষের আহ্বান, ঐক্যের বার্তা: টঙ্গী থেকে গাজীপুরে উৎসবের জোয়ার
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে ঘিরে এক নতুন উদ্দীপনা, এক নতুন প্রত্যাশা নিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী অঞ্চল জেগে উঠেছে উৎসবের আমেজে। “শুভ নববর্ষ” এই চিরন্তন বাঙালি উচ্চারণ আজ শুধুমাত্র একটি শুভেচ্ছাবার্তা নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে ঐক্য, সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক সংহতির এক শক্তিশালী প্রতীক। টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন নববর্ষ উপলক্ষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, আসন্ন সময়ে তারেক রহমান টঙ্গীতে আগমন করবেন, আর সেই আগমনকে ঘিরে যেন পুরো এলাকা রূপ নেয় জনসমুদ্রে।
তিনি বলেন, টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত এবং বিশেষ করে ব্যস্ততম ময়মনসিংহ মেন রোডের দুইপাশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। হাতে প্ল্যাকার্ড, সাইনবোর্ড, ব্যানার। সবকিছু নিয়ে জনগণকে স্বাগত জানাতে হবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে। এই সমাগম শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি হবে গণমানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ।
নববর্ষ উদযাপন: পান্তা-ইলিশে বাঙালিয়ানা। বাংলা নববর্ষ মানেই গ্রামীণ ঐতিহ্য, শেকড়ের টান আর বাঙালির চিরন্তন খাদ্যসংস্কৃতি। এ উপলক্ষে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন ঘোষণা দিয়েছেন এক গণভোজের। যেখানে থাকবে পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ, আলু ভর্তা, কাঁচা মরিচসহ বাঙালির প্রিয় সব খাবার। এই আয়োজন শুধু খাদ্য বিতরণ নয়; এটি এক সামাজিক বন্ধনের প্রতীক, যেখানে ধনী-গরিব, নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ সবাই একই কাতারে বসে ভাগ করে নেবে আনন্দ ও ভালোবাসা।
রাজনৈতিক ঐক্যের বার্তা। নববর্ষ উপলক্ষে তিনি বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী। পুরুষ ও নারী, সবার প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি এলাকাবাসীসহ গাজীপুরের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান।
তার বক্তব্যে স্পষ্ট। এই নববর্ষ শুধু আনন্দের নয়, এটি ঐক্যের, সংগঠনের শক্তি প্রদর্শনের এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। নতুন বছরের অঙ্গীকার। নতুন বছর মানেই নতুন প্রতিজ্ঞা। টঙ্গীর এই উদ্যোগে ফুটে উঠেছে একটি বৃহত্তর লক্ষ্য। সমাজকে একত্রিত করা, মানুষকে সচেতন করা এবং একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। শুভ নববর্ষ! সকলের জীবনে বয়ে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির নতুন বার্তা।


















