ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এরশাদনগরের তরুণদের স্বপ্নের বাতিঘর কর্মমুখী শিক্ষায় না ফিরলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে দেশ: তারেক রহমান হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজারের বেশি হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৪৮ বাংলাদেশির সরকারে যোগ দেওয়ার মূল্য এতটা কঠিন হবে ভাবিনি: ফারুকী পরিবেশ উপযোগী বৃক্ষরোপণে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা মহানগর বাসযোগ্য মনে হয় না, নিশ্বাস নেওয়ার অবস্থা নেই: মির্জা ফখরুল রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ইতিহাস সৃষ্টি করবে বলে আশা রামিশার বাবার জনসমুদ্রের ঢেউয়ে জিয়ার স্মৃতি, দোয়ার অশ্রুতে ভেজা টঙ্গী-গাজীপুর হজ্বের পবিত্রতা থেকে মানবতার সেবায় নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

জনসমুদ্রের ঢেউয়ে জিয়ার স্মৃতি, দোয়ার অশ্রুতে ভেজা টঙ্গী-গাজীপুর

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / ১৬৫৮ বার পড়া হয়েছে

ইতিহাসের কিছু দিন আসে জাতির স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে, কিছু দিন আসে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার ঋণ স্মরণ করিয়ে দিতে। ৩০ মে তেমনই একটি দিন। এই দিনে বাংলাদেশ হারিয়েছিল তার স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠনের অন্যতম স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনা আজও সমানভাবে জাগ্রত।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজ ছিল শ্রদ্ধা, স্মৃতি, ভালোবাসা ও প্রার্থনার এক ব্যতিক্রমী সমাবেশ। সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের আগমন শুরু হয়। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, হাফেজ, ইমাম, হজ পালনকারী মুসল্লি, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত জনসমুদ্রে।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ সালাহ্উদ্দিন সরকার, কার্যকরী সভাপতি, শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সাবেক আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে দল ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছেন।
নিজ বক্তব্যে তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “১৯৮০ সালে বিএনপির ছাত্ররাজনীতির হাত ধরে আমার রাজনৈতিক পথচলার সূচনা। সংগ্রাম, ত্যাগ, আদর্শ এবং অসংখ্য প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। এই পথচলায় আমরা হারিয়েছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে, যিনি ছিলেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয়তাবাদের অবিস্মরণীয় প্রতীক। আমরা হারিয়েছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যাঁর আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আজ দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বিএনপির সঙ্গে আছি, ছিলাম এবং ইনশাআল্লাহ শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবো। জাতীয়তাবাদী আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই আমার অঙ্গীকার।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলেক এবং সঞ্চালনা করেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ লিয়াকত আলী। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ শরাফাত হোসেন, শ্রমিক দল গাজীপুর মহানগরের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নুর মোহাম্মদ, গাছা মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস খান, ওলামা দল গাজীপুর মহানগরের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা খোকন বিশ্বাস, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, যুবদল গাজীপুর মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাসেল, কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, শ্রমিক দল টঙ্গী পশ্চিম থানার সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম মোর্শেদ খোকন এবং স্বেচ্ছাসেবক দল পশ্চিম থানার যুগ্ম সম্পাদক আঃ হালিম। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি নির্মাণে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানের দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন টঙ্গী পূর্ব থানা ওলামা দলের সভাপতি আবু তাহের। মোনাজাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, বিএনপির জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদ নেতা-কর্মী, প্রয়াত সহযোদ্ধা, দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখা ব্যক্তিবর্গ এবং মরহুম সিরাজউদ্দিন সরকারসহ সরকার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়ার সময় হাজারো মানুষের কণ্ঠে একসঙ্গে উচ্চারিত ‘আমিন’ ধ্বনি যেন পরিবেশকে আরও আবেগঘন করে তোলে। উপস্থিত মুসল্লিরা দেশ, জাতি, গণতন্ত্র, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথি, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য ব্যাপক গণভোজের আয়োজন করা হয়। সুশৃঙ্খলভাবে পরিবেশিত খাবার গ্রহণ করেন হাজারো মানুষ। উপস্থিত অনেকেই আয়োজকদের আন্তরিকতা, আতিথেয়তা এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।
দিনশেষে গাজীপুরের আকাশে যেন একটি বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে আদর্শের মৃত্যু নেই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের স্মৃতি, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং জনগণের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও লক্ষ মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে জাগ্রত। আর সেই আদর্শের পতাকাতলে একত্রিত হয়েই হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি পরিণত হয়েছে শ্রদ্ধা, ঐক্য, মানবিকতা ও প্রার্থনার এক স্মরণীয় মহাসমাবেশে।
জিয়ার স্মৃতির প্রতি ভালোবাসা, তাঁর আদর্শের প্রতি আনুগত্য এবং জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ করার অঙ্গীকার নিয়েই শেষ হয় দিনের কর্মসূচি। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে থেকে যায় এক গভীর অনুভূতি জিয়া নেই, তবু তাঁর আদর্শ আজও মানুষের মাঝে জীবন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

জনসমুদ্রের ঢেউয়ে জিয়ার স্মৃতি, দোয়ার অশ্রুতে ভেজা টঙ্গী-গাজীপুর

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

ইতিহাসের কিছু দিন আসে জাতির স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলতে, কিছু দিন আসে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার ঋণ স্মরণ করিয়ে দিতে। ৩০ মে তেমনই একটি দিন। এই দিনে বাংলাদেশ হারিয়েছিল তার স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠনের অন্যতম স্থপতি, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনা আজও সমানভাবে জাগ্রত।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজ ছিল শ্রদ্ধা, স্মৃতি, ভালোবাসা ও প্রার্থনার এক ব্যতিক্রমী সমাবেশ। সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের আগমন শুরু হয়। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, হাফেজ, ইমাম, হজ পালনকারী মুসল্লি, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত জনসমুদ্রে।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ সালাহ্উদ্দিন সরকার, কার্যকরী সভাপতি, শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সাবেক আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে দল ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছেন।
নিজ বক্তব্যে তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “১৯৮০ সালে বিএনপির ছাত্ররাজনীতির হাত ধরে আমার রাজনৈতিক পথচলার সূচনা। সংগ্রাম, ত্যাগ, আদর্শ এবং অসংখ্য প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। এই পথচলায় আমরা হারিয়েছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে, যিনি ছিলেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয়তাবাদের অবিস্মরণীয় প্রতীক। আমরা হারিয়েছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যাঁর আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আজ দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বিএনপির সঙ্গে আছি, ছিলাম এবং ইনশাআল্লাহ শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবো। জাতীয়তাবাদী আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই আমার অঙ্গীকার।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলেক এবং সঞ্চালনা করেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ লিয়াকত আলী। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ শরাফাত হোসেন, শ্রমিক দল গাজীপুর মহানগরের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নুর মোহাম্মদ, গাছা মেট্রো থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস খান, ওলামা দল গাজীপুর মহানগরের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা খোকন বিশ্বাস, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, যুবদল গাজীপুর মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাসেল, কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, শ্রমিক দল টঙ্গী পশ্চিম থানার সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম মোর্শেদ খোকন এবং স্বেচ্ছাসেবক দল পশ্চিম থানার যুগ্ম সম্পাদক আঃ হালিম। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি নির্মাণে তাঁর ঐতিহাসিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানের দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন টঙ্গী পূর্ব থানা ওলামা দলের সভাপতি আবু তাহের। মোনাজাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, বিএনপির জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদ নেতা-কর্মী, প্রয়াত সহযোদ্ধা, দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখা ব্যক্তিবর্গ এবং মরহুম সিরাজউদ্দিন সরকারসহ সরকার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়ার সময় হাজারো মানুষের কণ্ঠে একসঙ্গে উচ্চারিত ‘আমিন’ ধ্বনি যেন পরিবেশকে আরও আবেগঘন করে তোলে। উপস্থিত মুসল্লিরা দেশ, জাতি, গণতন্ত্র, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে আগত অতিথি, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য ব্যাপক গণভোজের আয়োজন করা হয়। সুশৃঙ্খলভাবে পরিবেশিত খাবার গ্রহণ করেন হাজারো মানুষ। উপস্থিত অনেকেই আয়োজকদের আন্তরিকতা, আতিথেয়তা এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।
দিনশেষে গাজীপুরের আকাশে যেন একটি বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে আদর্শের মৃত্যু নেই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের স্মৃতি, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং জনগণের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও লক্ষ মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে জাগ্রত। আর সেই আদর্শের পতাকাতলে একত্রিত হয়েই হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচি পরিণত হয়েছে শ্রদ্ধা, ঐক্য, মানবিকতা ও প্রার্থনার এক স্মরণীয় মহাসমাবেশে।
জিয়ার স্মৃতির প্রতি ভালোবাসা, তাঁর আদর্শের প্রতি আনুগত্য এবং জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ করার অঙ্গীকার নিয়েই শেষ হয় দিনের কর্মসূচি। কিন্তু মানুষের হৃদয়ে থেকে যায় এক গভীর অনুভূতি জিয়া নেই, তবু তাঁর আদর্শ আজও মানুষের মাঝে জীবন্ত।