গাজীপুরের ৪৯নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পূর্ব থানার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন মুফতি কাজী আরমান হোসাইন। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন মানবিক হৃদয়ের মানুষ, যিনি নীরবে-নিভৃতে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বাস করেন।
সাবেক কমিশনার মরহুম ইদ্রিস মিয়ার সুযোগ্য ছোট ছেলে, মুফতি কাজী আরমান বর্তমানে সেক্রেটারি, আন্দোলন বাংলাদেশ, ৪৯নং ওয়ার্ড, টঙ্গী পূর্ব থানা-তে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম, আনোয়ারা ইদ্রিস বালিকা মাদ্রাসা-এর মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তার রাজনীতি ও মানবিক কাজের সমন্বয় তাকে করে তুলেছে এলাকার মানুষের জন্য এক অনন্য নাম, যাকে দেখা মাত্রই মনে হয়, “যে নেতা সত্যিই মানুষের জন্য কাজ করে”।
রাজনীতি ও নেতৃত্ব। মুফতি কাজী আরমান দলের আদর্শ ও নীতিকে মেনে চলেন। আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সেক্রেটারি হিসেবে তিনি দলের নীতি বাস্তবায়ন, জনসেবামূলক কার্যক্রম ও তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রক্ষা করছেন। তার নেতৃত্বে এলাকার যুবক-যুবতীরা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছে, যা এলাকার রাজনীতিকে আরও শক্তিশালী এবং দায়িত্বশীল করছে। সহকর্মীরা তাকে আস্থার প্রতীক হিসেবে দেখেন, কারণ তার রাজনৈতিক স্বার্থ সর্বদা মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সামাজিক দায়িত্ব ও মানবিক কর্মকাণ্ড। মুফতি কাজী আরমানের মানবিকতা এমন এক গল্প, যা এলাকায় মহাকাব্যের মতো পরিচিত। তার উদ্যোগে। দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ। চিকিৎসা সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা ও মাদ্রাসার উন্নয়ন। পবিত্র ঈদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো, বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তার উদ্যোগে শতাধিক পরিবার পায় ঈদের আনন্দ। করোনা মহামারির সময় তিনি এলাকায় খাদ্যসামগ্রী ও ওষুধ বিতরণ করে অসংখ্য মানুষকে সাহায্য করেছেন। এছাড়া বন্যার সময় ত্রাণ ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন, যা এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।
শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের অবদান। মুফতি কাজী আরমান আনোয়ারা ইদ্রিস বালিকা মাদ্রাসা-এর প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং মানবিক মূল্যবোধ শিক্ষা দেওয়াই সমাজকে শক্তিশালী করে। তরুণী শিক্ষার্থীরা তার নেতৃত্বে আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে।
কাজী আরমানের বক্তব্য। “রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগি করাই আমার মূল দায়িত্ব। আমি চাই আমাদের সমাজে সবাই মানবতার চেতনা নিয়ে এগোতে পারুক।” তিনি আরও যোগ করেন, “শিক্ষা, ধর্ম ও সামাজিক দায়িত্ব। এই তিনটি শক্তি মিলে সমাজকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।”
তরুণ ও এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা। কাজী আরমান শুধু নেতা নন; তিনি একটি বিশ্বাস, একটি প্রতিশ্রুতি, যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। তার ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবিক কার্যক্রম তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতি ও সমাজসেবায় অংশ নিতে উৎসাহিত করছে।
এলাকার মানুষ বলেন, “মুফতি কাজী আরমানের মতো নেতা থাকলে আমরা জানি আমাদের স্বার্থ, আমাদের শিশু, নারী, বৃদ্ধ। সবাই সুরক্ষিত। তাই আমরা ভোট দেব এবং আমাদের ভোটে তাকে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করতে দেব।”
মুফতি কাজী আরমান হোসাইন, রাজনীতি, শিক্ষা ও মানবিকতার এক অনন্য নাম। তার নেতৃত্ব, সততা ও নিবেদিত চেষ্টার জন্য আজ ৪৯ নং ওয়ার্ডের মানুষ তাকে ভালোবাসে। ভোট দিন, আস্থা দিন, এবং একসাথে এগিয়ে যান। কারণ মুফতি কাজী আরমান মানুষের কল্যাণের জন্য সবসময় থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ ইউনুস আলি মোবাইলঃ ০১৯৭১৮৫৬৮৫৫ ইমেইলঃ sangbadalochona@gmail.com
Developed By : Sabbirelectronics.com