বৃহত্তর টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামুর উদ্যোগে টানা তিন দিন ব্লকভিত্তিক শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রিপিস ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ—নিঃশব্দ মানবসেবায় গড়ছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত
মানবতার ঈদ: এরশাদ নগরে ভালোবাসার আলো ছড়াচ্ছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু
- আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
- / ১৮৫৩ বার পড়া হয়েছে

মানবতার আলো ছড়ানো এক নাম। মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, টঙ্গীর আকাশে যখন ঈদের চাঁদ ধীরে ধীরে আলো ছড়াতে শুরু করে, ঠিক তখনই এরশাদ নগরের প্রতিটি অলিতে-গলিতে জেগে ওঠে আরেকটি আলো। মানবতার আলো। সেই আলোর নাম মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। তিনি শুধুই একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি এক অনুভূতির নাম, এক বিশ্বাসের নাম। বৃহত্তর টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক ১নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাজনীতির পথচলা শুরু হলেও, সময়ের সাথে তিনি হয়ে উঠেছেন মানুষের হৃদয়ের একজন আপনজন। ৪৯নং ওয়ার্ড এরশাদ নগরের একজন নির্ভরতার প্রতীক।


মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক নীরব সংগ্রাম। গত তিন দিন ধরে ভোরের আলো ফোটার আগেই শুরু হয় তার পথচলা। কোনো মাইক নেই, কোনো প্রচারণার ঝলক নেই। শুধু নিঃশব্দে মানুষের দরজায় কড়া নাড়া। একটি ব্লক থেকে আরেক ব্লক, তারপর আরেকটি ব্লক, কোথাও শাড়ি, কোথাও লুঙ্গি, কোথাও থ্রিপিস, আবার কোথাও ঈদের সামগ্রী। কিন্তু আসলে তিনি শুধু কাপড় বিতরণ করছেন না। তিনি বিতরণ করছেন হাসি, আশ্বাস, আর বেঁচে থাকার সাহস।

এক বৃদ্ধা কাঁপা কণ্ঠে বললেন, “বাবা, তুমি না এলে হয়তো এই ঈদে নতুন কাপড় হতো না…” সেই মুহূর্তে বোঝা যায়, কামু শুধু একজন নেতা নন। তিনি মানুষের প্রয়োজনের সময়ে এসে দাঁড়ানো এক ছায়া।
রাজনীতি নয়, মানুষের জন্য রাজনীতি। রাজনীতির মঞ্চে অনেকেই আসেন, অনেকেই কথা বলেন। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন, যারা কথা নয়, কাজ দিয়ে নিজেদের পরিচয় তৈরি করেন। মোঃ কামরুল ইসলাম কামু তাদেরই একজন।
তিনি জানেন, ক্ষমতা মানে দায়িত্ব, আর দায়িত্ব মানে মানুষের পাশে থাকা। তার এই উদ্যোগে নেই কোনো ভেদাভেদ। দল, মত, ধর্ম। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ছুঁয়ে গেছেন মানুষের হৃদয়।
যদি তার জীবনকে একটি কবিতায় রূপ দেওয়া হয়, তবে সেটি হবে এমন, “যেখানে অন্ধকার, সেখানে আলো নিয়ে যাও,
যেখানে কষ্ট, সেখানে ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও।
মানুষের চোখে হাসি ফুটানোই হোক লক্ষ্য—
এই প্রতিজ্ঞায় এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও নিরন্তর।”
এই কবিতার প্রতিটি শব্দ যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে তার কাজের মাধ্যমে। লেখালেখির পাতায়, মানুষের হৃদয়ে তার এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতোমধ্যে বহু লেখালেখি হয়েছে। সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সবখানেই উঠে এসেছে তার নাম। কিন্তু সবচেয়ে বড় লেখা লেখা হয়েছে মানুষের হৃদয়ে, যেখানে কোনো কালি লাগে না, লাগে শুধু ভালোবাসা। একটি স্বপ্ন, একটি প্রতিশ্রুতি, মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর স্বপ্ন খুব বড় কিছু নয়, তিনি চান, তার এলাকা হোক সন্ত্রাসমুক্ত, দুঃখমুক্ত, অবহেলামুক্ত।
তিনি বিশ্বাস করেন, “একটি ভালো সমাজ গড়তে হলে আগে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।” আর সেই বিশ্বাস নিয়েই তিনি প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছেন, নিঃশব্দে, নিরলসভাবে।
টঙ্গীর ইতিহাসে অনেক নাম লেখা থাকবে, কিন্তু কিছু নাম থাকবে অনুভূতিতে, যারা মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছে, সুখে হাসি ভাগ করেছে। মোঃ কামরুল ইসলাম কামু ঠিক তেমনই এক নাম। তিনি প্রমাণ করেছেন। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে বড় পদবী লাগে না, লাগে শুধু একটি বড় হৃদয়।
ঈদের আনন্দে যখন চারদিকে উৎসবের রঙ,
তখন এরশাদ নগরের মানুষের মনে আরেকটি রঙ—
কৃতজ্ঞতার রঙ, ভালোবাসার রঙ।
আর সেই রঙের নাম—
কামু।














