ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য: মানবতার আলোকবর্তিকা আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন মানবতার আলোকবর্তিকা, সেবার প্রতীক এক প্রিয় মানুষ ঐতিহ্যের গর্বে, নতুন দিনের প্রত্যয়ে—শুভ পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ রাজধানীর ৭টি ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছে! আন্দোলন শুরু, সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে: জামায়াত আমির তৃণমূলের আস্থার প্রতীক গাজী মহাসীন : পহেলা বৈশাখে ঐক্য, মানবিকতা ও উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার রূপকার স্বপ্ন এখন বাস্তব: প্রতিশ্রুতির পথে নতুন যাত্রা

ঢাকা জেলা এলজিইডিকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কাজ করছি — মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া

সংবাদ আলোচনা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৮৪৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আমূল পরিবর্তনের এই সময়ে তিনি এলজিইডিকে একটি জনবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার করেছে, তার সাথে একাত্ম হয়ে আমরা এলজিইডিতে সততা, স্বচ্ছতা এবং জনসেবার মানসিকতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি।”
মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া জানান, এলজিইডির মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রাম, বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নত করা। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে এলজিইডি।
তিনি গর্বের সাথে বলেন, “গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি আজ দেশের উন্নয়নের প্রতীক। আমাদের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, শ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই আজকের এলজিইডি গড়ে উঠেছে। আমরা সকলে দেশের অগ্রগতির স্বার্থে আমাদের দায়িত্ব পালন করছি।”
দুর্নীতির ব্যাপারে কঠোর অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, “আমি কোনোভাবেই দুর্নীতির সাথে আপস করবো না। প্রতিটি সহকর্মীকে সততার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। গুণগতমান বজায় রাখতে ঠিকাদারদেরও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে— নিম্নমানের কাজ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা, সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীর দিকনির্দেশনায় ঢাকা জেলা এলজিইডির প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করছেন, যাতে দেশের চলমান উন্নয়ন ধারাকে আরও গতিশীল করা যায়।
ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ভিন্ন মতাদর্শের কারণে তিনি দীর্ঘদিন এলজিইডির সদর দপ্তরের অডিট বিভাগে কোণঠাসা অবস্থানে ছিলেন। তবে প্রতিকূল পরিবেশেও তিনি নীতিতে অটল থেকে নিজের সততা ও দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। আজ তিনি জনগণের কল্যাণে এলজিইডিকে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
সাক্ষাৎকারের শেষে দৃঢ় কণ্ঠে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের জন্য ঢাকা জেলা এলজিইডিতে কোনো জায়গা থাকবে না। দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের মিশেলে জনসেবার আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাকা জেলা এলজিইডিকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কাজ করছি — মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

ঢাকা জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের আমূল পরিবর্তনের এই সময়ে তিনি এলজিইডিকে একটি জনবান্ধব, উন্নয়নমুখী ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার করেছে, তার সাথে একাত্ম হয়ে আমরা এলজিইডিতে সততা, স্বচ্ছতা এবং জনসেবার মানসিকতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি।”
মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া জানান, এলজিইডির মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রাম, বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নত করা। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে দারিদ্র্য বিমোচনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে এলজিইডি।
তিনি গর্বের সাথে বলেন, “গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি আজ দেশের উন্নয়নের প্রতীক। আমাদের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, শ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই আজকের এলজিইডি গড়ে উঠেছে। আমরা সকলে দেশের অগ্রগতির স্বার্থে আমাদের দায়িত্ব পালন করছি।”
দুর্নীতির ব্যাপারে কঠোর অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, “আমি কোনোভাবেই দুর্নীতির সাথে আপস করবো না। প্রতিটি সহকর্মীকে সততার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। গুণগতমান বজায় রাখতে ঠিকাদারদেরও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে— নিম্নমানের কাজ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা, সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীর দিকনির্দেশনায় ঢাকা জেলা এলজিইডির প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করছেন, যাতে দেশের চলমান উন্নয়ন ধারাকে আরও গতিশীল করা যায়।
ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ভিন্ন মতাদর্শের কারণে তিনি দীর্ঘদিন এলজিইডির সদর দপ্তরের অডিট বিভাগে কোণঠাসা অবস্থানে ছিলেন। তবে প্রতিকূল পরিবেশেও তিনি নীতিতে অটল থেকে নিজের সততা ও দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। আজ তিনি জনগণের কল্যাণে এলজিইডিকে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
সাক্ষাৎকারের শেষে দৃঢ় কণ্ঠে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, “দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের জন্য ঢাকা জেলা এলজিইডিতে কোনো জায়গা থাকবে না। দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের মিশেলে জনসেবার আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”