ছবি, সংগৃহিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৪, ৫ আসনের নির্বাচনী জনসভায় বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে আজাদি, আর ‘না’ ভোট মানে গোলামি। তিনি বেকার ভাতা নয়, যুবককে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়েছেন।
পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠে ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থীর সমর্থনে অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াত আমির বলেন, “গত ৫৪ বছরে যারা দেশ শাসন করেছে, তারা দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি। এর ফলে মাদক ও নানা অপকর্মে যুবকরা জড়িয়ে পড়েছে। আমাদের লক্ষ্য তরুণদের শক্তিতে দেশকে এগিয়ে নেওয়া।” তিনি আরও বলেন, “ভোটে হ্যাঁ মানে আজাদি, না মানে গোলামি। আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোট, সবাই নিশ্চিত করলে দেশ জয়ী হবে।”
ডা. শফিকুর রহমান বেকার ভাতা নিয়ে মন্তব্য করেন, “রাষ্ট্রের টাকা থাকলেও আমরা বেকার ভাতা দেবো না। এতে বেকারত্ব কমবে না, আরও বাড়বে। আমরা ভাতা নয়, কাজ দেবো।” তিনি শপথবদ্ধভাবে জানিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করা হবে, কোন ধরনের অনৈতিক আচরণকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
জামায়াতের আমির দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্কও করেছেন। তিনি বলেন, “যারাই রাজা হয়েছে, তারাই দেশের ধন চুরি করেছে। ৫৪ বছরেও রাজনীতিবিদরা জাতিকে সেবা দিতে পারেনি। ফলে মানুষ অপরাধে জড়িয়ে গেছে।”
রোববার (২৫ জানুয়ারি) একই সময়ে যাত্রাবাড়ী কাজলা ব্রিজে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি বলছেন, গণভোটে হ্যাঁ মানে আজাদি অর্জন করা হবে, না মানে ফ্যাসিবাদ ও দাসত্বের পুনরাবির্ভাব। পাশাপাশি কওমি মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নারীদের কর্মস্থলে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইভিনিং সার্ভিস চালু করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
তিনি ভোট কারচুপির বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, “ভোট বক্সে কেউ হাত দিতে এলে তা প্রতিহত করা হবে। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান করছি।” জামায়াতের প্রতীকসহ প্রার্থীদের হাতে শাপলা কলি তুলে দিয়ে সমাবসের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ ইউনুস আলি মোবাইলঃ ০১৯৭১৮৫৬৮৫৫ ইমেইলঃ sangbadalochona@gmail.com
Developed By : Sabbirelectronics.com