১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বিজয়ের ৫৪ বছরে দাঁড়িয়ে জাতির একটাই প্রত্যাশা একটি সুখী, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেন হাওলাদার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, “যেসব বীর শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের পবিত্র আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাই সেই সব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাদের, যাঁরা শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাধীন ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ উপহার দিতে জীবনের মায়া ত্যাগ করেছিলেন।”
আরিফ হোসেন হাওলাদার আরও বলেন, “আজও আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। আধিপত্যবাদী শক্তি ও তাদের দেশীয় সহযোগীরা স্বাধীনতার চেতনাকে ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।”
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ডাকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধ ১৬ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ে উপনীত হয়। এই বিজয় আমাদের গর্ব, আমাদের অস্তিত্বের ভিত্তি।”
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিজয়ের ৫৪ বছরে আমাদের প্রত্যাশা একটাই—একটি সুখী, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ। যেখানে মানুষের ভোটাধিকার থাকবে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশ পরিচালিত হবে জনগণের ইচ্ছায়।”
এদিকে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মোঃ আরিফ হোসেন হাওলাদার বলেন, “দেশ আজ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময় দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে হলে শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী নেতৃত্বকে সামনে আসতে হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের হাল ধরতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “২৫ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে তারেক রহমানের উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা দেশবাসীর জন্য নতুন আশার আলো সৃষ্টি করবে। তাঁর নেতৃত্বেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।”
বিবৃতির শেষাংশে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মহান বিজয় দিবস ও আসন্ন রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”
চিরজীবী হোক বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ ইউনুস আলি মোবাইলঃ ০১৯৭১৮৫৬৮৫৫ ইমেইলঃ sangbadalochona@gmail.com
Developed By : Sabbirelectronics.com